প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ দূত ও পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির গতকাল কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জাররাহ জাবের আল-আহমাদ আল-সাবাহর কাছে দেশটির জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে পাঠানো খাদ্যসামগ্রীর চালান হস্তান্তর করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত ও কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন।
কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জাররাহ বাংলাদেশের সরকারের এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একে বাংলাদেশ-কুয়েতের ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে ২৪০ টন খাদ্যসামগ্রী পাঠানো হয়েছে। একে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভ্রাতৃপ্রতিম কুয়েতের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি, সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বেরই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে কুয়েতের আমির শেখ মেশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহকে একটি চিঠিও আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। ওই চিঠিতে কুয়েতের জনগণের অব্যাহত শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করার পাশাপাশি দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
আলোচনাকালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিদ্যমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, মানবিক সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করে উভয় পক্ষ। এসময় বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্কের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দুই দেশই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা, বন্ধুত্ব ও বহুমাত্রিক সহযোগিতার ভিত্তিতে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারের ব্যাপারে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা, বেসামরিক উড়োজাহাজ চলাচলসহ সম্ভাবনাময় অন্যান্য খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণেও উভয় পক্ষ ঐক্যমত পোষণ করে।
এসময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কুয়েতের আমিরকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।










