যারা শৈশব ও কৈশোরে নজরুলের কবিতা পড়ে বড় হয়েছেন, তাদের মনোজগৎ গঠনে নজরুলের গভীর প্রভাব রয়েছে।’
গতকাল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, কৈশোরে যারা নজরুলের কবিতা পড়ে, তাদের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবপ্রেম, প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা এবং নিজের জীবনকে উৎসর্গ করার অনুপ্রেরণা তৈরি হয়।’
তিনি বলেন, ‘নজরুলের সাহিত্য ও চেতনা কেবল ব্যক্তিমানুষকে নয়, জাতির সামষ্টিক চেতনাকেও প্রভাবিত করেছে। আমাদের জাতির ইতিহাসে যত বড় বড় ইতিবাচক ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে নজরুল চেতনার একটি বিরাট অবদান রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন কিংবা সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থান—সব ক্ষেত্রেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর যে সাহস, বুক চিতিয়ে আত্মত্যাগ করার যে মানসিকতা, তার নেপথ্যে সমাজ ও মনোজগতে নজরুলের উপস্থিতি অনুভব করা যায়।’
নজরুলের বৈচিত্র্যময় লেখা নিয়ে তিনি বলেন, ‘এক হাতে তিনি গজল লিখেছেন, অন্য হাতে কীর্তন ও শ্যামা সংগীত রচনা করেছেন। কোথাও তিনি প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার কথা বলেছেন, আবার কোথাও যুদ্ধ ও সংগ্রামের চেতনা তুলে ধরেছেন।’
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদের (রেজাউদ্দিন স্টালিন) সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।










