বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক বলেছেন, শেখ হাসিনা বিভাজনের রাজনীতি করতে চেয়েছিল। বিভাজনের রাজনীতি বাংলাদেশে চলবে না। যেভাবে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ঠিক সেভাবে যুবলীগ, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘গত ৫০ বছর ধরে শেখ হাসিনা প্রতিশোধের রাজনীতিই করেছেন। শেখ হাসিনা রাজনীতিতে প্রতিশোধ ও বিভাজনের রাজনীতি করে গেছেন। অর্থ পাচার করে দেশকে একটি তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছেন। অন্তঃসারশূন্য একটি পরনির্ভরশীল ও জাতিতে পরিণত করে বাংলাদেশের অস্তিত্বকে বিপন্ন করাই ছিল শেখ হাসিনার রাজনীতি।’
গতকাল শনিবার (২৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরীর লালদিঘী ময়দানে খেলাফত মজলিস আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর শায়খুল হাদীস আল্লামা আলী উসমান, যুগ্ম মহাসচিব নাছির উদ্দীন, মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।
মামুনুল হক বলেন, ‘শুধু জুলাই-আগস্টে দেড় হাজারের অধিক মানুষকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চেয়েছিলেন । এমনকি নেতাকর্মীদের সঙ্গে বেঈমানি করে দেশ ছেড়েছেন। যারা বিগত ১৫ বছর স্বৈরাচারের দ্বারা নিপীড়িত হয়েছেন, হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের সবাইকে ঐক্য ধরে রাখতে হবে।
তিনি বলেন, ‘এখনই পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে সেই ফ্যাসিবাদকে আবার রাজনীতিতে পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ দেয়া যাবে না। ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের ওপর পরিচালিত গণহত্যায় এখন পর্যন্ত মামলা দায়ের হয়নি। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে। ২০১৪ গণহত্যা এবং ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের জন্য মামলা দায়ের করে বিচার করতে হবে।’










