একই সঙ্গে এ টাকার উৎস নিয়ে যাতে কেউ প্রশ্ন তুলতে না পারে সে বিধানও রাখা হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন মহল থেকে এ ধরনের সুযোগ না রাখার কথা বলা হলেও শেষ পর্যন্ত আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অর্থবিলে এ-সংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে। এ বিধান রেখে গতকাল নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা, যা পরে সংসদে উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার যে বিধান রাখা হয়েছে তা অপরিবর্তিত থাকলে জুলাই থেকে পরবর্তী জুনের মধ্যে জমি, বিল্ডিং বা অ্যাপার্টমেন্ট কেনাবেচার ক্ষেত্রে এ সুযোগ মিলবে। তবে এ নিয়ে কোনো কিছুই ছিল না জাতীয় সংসদে দেয়া অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায়; অর্থাৎ অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার বিধান সংসদে আলোচনা করা ছাড়াই বিলের অন্তর্ভুক্ত রাখা হলো।

গত অন্তর্বর্তী সরকারের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ রাখা হলেও সমালোচনার মুখে তা বাদ দেয়া হয়। তার আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ সুযোগ ছিল। তখনো এ টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন না তোলার বিধান ছিল।