এর মধ্যে পরিচালন ব্যয়ে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয়ে ৭ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দের প্রস্তাব ছিল ১১ হাজার ২০৪ কোটি টাকা।
গতকাল জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য তুলে ধরেন। বিএনপি সরকারের এবারের বাজেটের শিরোনাম দেয়া হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সেচ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন রোধ, ভূমি পুনরুদ্ধার, জলাবদ্ধতা নিরসন, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও লবণাক্ততা প্রতিরোধে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এরই মধ্যে ৬ হাজার ৫৯৮ কিলোমিটার খাল খননের কাজ চলমান রয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩০৯ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ, পুনর্নির্মাণ ও মেরামত এবং ফ্লাড ওয়াল নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি ৪৮৪ কিলোমিটার নদ-নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি এবং ডুবোচর অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’ নদী পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি নদী বা জলাশয় দখলমুক্ত ও পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।
ধলেশ্বরী, লৌহজং, আলাইকুড়ি, মগড়া, সালতা, সুতাং, বাঁকখালী ও বারনই নদী পুনরুদ্ধার এবং পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এছাড়া হাওর-বাঁওড় অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন এবং উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ততা নিরসনে বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এরই মধ্যে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে আগামী সাত বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে। চারটি বিভাগের ১৯টি জেলার ১২০টি উপজেলা এ সুবিধা পাবে।’










