পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি (বিএনআইসি) লিমিটেডের পরিচালক তাসনিম বিনতে মোস্তফা কোম্পানিটির ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৮৩৩ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে বিদ্যমান বাজারদরে এ শেয়ার কিনবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

২০১৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ১৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫ দশমিক শূন্য ৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে বাকি ৩৪ দশমিক ৮২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইতে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৪৬ টাকা ৯০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ৩৫ টাকা ৮০ ও ৭১ টাকা ৫০ পয়সা।

সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৫ পয়সায়। 

২০২২ হিসাব বছরেও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২৩ পয়সা। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৮০ পয়সায়।

২০২১ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ২৩ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২ টাকা ৪৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ৮৫ পয়সায়।

৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৯ হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। আগের হিসাব বছরেও একইহারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।