পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-টু’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৩১ পয়সা, গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৯৯ পয়সায়।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে ন্যাশনাল ব্যাংকের সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১০ টাকা ১৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৩০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে কোনো লভ্যাংশ সুপারিশ করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ১০ টাকা ১৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় ছিল ১২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকায়।
৩১ ডিসেম্বর ২০২১ সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ন্যাশনাল ব্যাংক। আলোচ্য হিসাব বছরে এনবিএলের সমন্বিত ইপিএস ছিল ১২ পয়সা, আগের বছরে আয় ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটি সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ১৩ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৬ টাকা ৯১ পয়সা।
৩১ ডিসেম্বর ২০২০ সমাপ্ত হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল ন্যাশনাল ব্যাংক। ২০১৯ হিসাব বছরে মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।










