এ উপলক্ষে সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারেক রেফাত উল্লাহ খান কার্ডটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ এবং ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মাহীয়ুল ইসলামসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ব্র্যাক ব্যাংক বলছে, দৈনন্দিন লেনদেনকে আরো আনন্দময় করতে ভিসা ক্যাশব্যাক ক্রেডিট কার্ডটি বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা রিটেইল, গ্রোসারি, হেলথকেয়ার এবং ওয়ালেট-সংক্রান্ত লেনদেনে বছরে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
নতুন ইস্যুকৃত প্রাইমারি কার্ডধারীরা দেশের শীর্ষস্থানীয় মার্চেন্ট যেমন পিকাবু, আর্টিসান, গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার এবং চালডাল ডটকম থেকে ওয়েলকাম ভাউচার পাবেন। কার্ড ইস্যুর প্রথম তিন মাসে গ্রাহকরা পিওএস, কিউআর এবং ই-কমার্স লেনদেনে মাসিক সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা ক্যাশব্যাক উপভোগ করতে পারবেন।
এছাড়া এ কার্ডের মাধ্যমে বিকাশ ওয়ালেট ট্রান্সফার প্রসেসিং ফিতে ১ শতাংশ ক্যাশব্যাক সুবিধা পাওয়া যাবে। গ্রাহকরা স্বপ্ন, মীনা বাজার, আগোরা ও ইউনিমার্টে কেনাকাটায় মাসিক ১০ শতাংশ ক্যাশব্যাক পাবেন। পাশাপাশি লাজ ফার্মা, তামান্না ফার্মেসি এবং আরোগ্যতে স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত খরচেও মাসিক ১০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধা থাকছে।
দেশ-বিদেশে বড় অংকের কেনাকাটায় গ্রাহকরা ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপ ‘আস্থা’-এর মাধ্যমে ৬-২৪ মাস পর্যন্ত ইএমআই সুবিধা নিতে পারবেন। এছাড়া এ কার্ডের মাধ্যমে দেশজুড়ে ১ হাজার ৭০০টিও বেশি পার্টনার মার্চেন্টে সর্বোচ্চ ৩৬ মাস পর্যন্ত ইএমআই সুবিধা উপভোগ করা যাবে।
কার্ডটিতে লেনদেনের বিপরীতে রিওয়ার্ড পয়েন্ট পাবেন গ্রাহকরা, যা দিয়ে নির্দিষ্ট রিটেইল ট্রানজ্যাকশন বা কার্ডের অ্যানুয়াল ফি ওয়েভ করা যাবে। এতে ঐচ্ছিক ফিচার হিসেবে ক্রেডিট শিল্ড ইন্স্যুরেন্স সুবিধাও রয়েছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা হাসপাতালে ভর্তি ব্যয়ের কাভারেজসহ মৃত্যু, স্থায়ী অক্ষমতা এবং জটিল রোগের ক্ষেত্রে সুরক্ষা পাবেন।










