এ কারণে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ করে দেয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারদর ৭৯ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১০ মে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৩৩ টাকা ৯০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল শেয়ারটির দর ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। সে হিসেবে গত প্রায় এক মাসে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ১৬৪ শতাংশ।
চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ পয়সা।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ২৭ পয়সা।
৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩৫ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে লোকসান হয়েছিল ২৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৩১ পয়সায়।
১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি, পরিশোধিত মূলধন ২৬ কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার ও রিজার্ভে রয়েছে ১৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৬৪ লাখ ৫৬। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৪৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ৯ দশমিক ৫২, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










