বাংলাদেশে যথেষ্ট ভালো আইন আছে। তবে সেই আইনগত কাঠামো ব্যবহৃত হয়েছে বৈষম্য সৃষ্টির জন্য, নিরসনের জন্য না বলে মন্তব্য করেন এমসিসিআই-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট নিহাদ কবির। সোমবার ( ১১ নভেম্বর) দৈনিক বণিক বার্তার উদ্যোগে আয়োজিত বৈষম্য, আর্থিক অপরাধ ও বাংলাদেশের অর্থনীতির নিরাময়' শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এমসিসিআইয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিহাদ কবির বলেন, ‘বাংলাদেশে যথেষ্ট ভালো আইন আছে। কিন্তু সেই আইনগত কাঠামো ব্যবহৃত হয়েছে বৈষম্য সৃষ্টির জন্য, নিরসনের জন্য না। বিদ্যমান আইনের ৬০-৭০ শতাংশ বাদ দিলে আমাদের খুব বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না, বরং অর্থনৈতিক কার্যক্রমে আরো বেশি স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা পেতে পারি। তারপর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সফল মডেল ও ফ্রেমওয়ার্ক দেখে আবার আমরা স্থাপন করতে পারি। কিছু আইন আছে, যেগুলো কাঠামোগত বৈষম্যকে প্রমোট করে। কিন্তু আমরা চাই সমান প্রয়োগ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, যা বহু বছর বলার পরও আমরা পাই না। এ নিয়ে গত দুই-তিন দশকে অনেক আলাপ করেছি আমরা।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের আইনি কাঠামো ভালো আছে, কিন্তু অতীতে আমরা তার যে বৈষম্য মূলক প্রয়োগ দেখেছি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।’
নিহাদ কবির বলেন, ‘পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পৃক্ত যে আইনগুলো রয়েছে বিশেষত পরিবেশ সংক্রান্ত আইনের অপব্যবহারের ফলে শুধু ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে সুবিধাবঞ্চিত নিম্ন আয়ের মানুষের ওপরে। আর এ নেতিবাচক প্রভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সুযোগ খুব কম। উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশের মহিলারা অনেক ছোট ছোট ব্যবসায় করছে কিন্তু তারা ফরমাল ইকোনোমিতে আসতে পারছে না ট্রেড লাইসেন্সের কারণে। ফলে ৭০-৮০ ভাগ মহিলা ইনফরমাল কাঠামোতেই রয়েছেন।’










