ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে এ ও স্বল্পমেয়াদে এসটি-থ্রি। সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ২ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৪ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৬৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৩০ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৪২ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে ইসলামিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের ইপিএস হয় ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা। ওই বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৫৬ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৫ টাকা ৩১ পয়সা।
২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ইসলামিক ফাইন্যান্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৫ টাকা ৩১ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১৪ টাকা ৯৯ পয়সা। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৯ হিসাব বছরের জন্যও একই হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন শেয়ারহোল্ডাররা। এছাড়া ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদের পাশাপাশি সাড়ে ৪ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ও ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য সাড়ে ১৪ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।
২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৭০।
এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালক ৩২ দশমিক ৮৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২৩ দশমিক ৭৯ ও বাকি ৪৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮০ পয়সায়।










