জাপানের সংবাদমাধ্যম নিক্কেই সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিনিধি দলে জাপানের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা থাকবেন। তাদের সঙ্গে দেশটির বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ‘জাপান অর্গানাইজেশন ফর মেটালস অ্যান্ড এনার্জি সিকিউরিটিজের’ প্রতিনিধিরাও যোগ দেবেন। গ্রিনল্যান্ড সফরে গিয়ে জাপানি প্রতিনিধি দলটি সেখানকার স্থানীয় সরকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবে বলে জানা গেছে।

ডেনমার্ক সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বায়ত্তশাসিত সুমেরু অঞ্চলের দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডকে নিয়ে সম্প্রতি বৈশ্বিক রাজনীতিতে বেশ আলোচনা চলছে। বিশেষ করে এর ভূরাজনৈতিক অবস্থান ও মাটির নিচে থাকা বিপুল খনিজ সম্পদের কারণে বিশ্ব শক্তির নজর এখন এ দ্বীপের দিকে। এর আগে গত জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দ্বীপটি কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়া বা অধিগ্রহণ করা যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের এমন অবস্থানের কারণে ইউরোপে থাকা ন্যাটো-ভুক্ত মিত্র দেশগুলোর মধ্যে বেশ উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে পরবর্তী সময়ে এ দ্বীপ নিয়ে আলোচনাটি সরাসরি সংঘাতের দিকে না গিয়ে কূটনৈতিক পথে চলে যায়। বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাপানের এ পদক্ষেপকে গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ও অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠার একটি বড় কূটনৈতিক চেষ্টা হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।