বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার ৫০ বছর পূর্ণ করেছে পাকিস্তানের করাচিভিত্তিক বহুজাতিক ব্যাংক হাবিব ব্যাংক লিমিটেড (এইচবিএল)। দেশের ব্যবসায়িক খাতের সঙ্গে পাঁচ দশকের অংশীদারত্বের এ মাইলফলক উদযাপনের মাধ্যমে ব্যাংকটি তার দীর্ঘ পথচলাকে স্মরণ করেছে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর পর থেকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রবাহে সহায়তার পাশাপাশি বিভিন্ন বাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা রেখে আসছে এইচবিএল। ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।
এইচবিএলের আয়োজনে ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে ব্যাংকের গ্রাহক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী নেতা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এইচবিএলের চেয়ারম্যান সুলতান আলী আল্লানা এবং প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাসির সেলিম অংশ নেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে এইচবিএল। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে সহায়তা দিয়ে আসছে ব্যাংকটি। বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশ্বিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সঙ্গে সংযোগ গভীর হওয়ার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে গ্রাহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে অবদান রাখছে বহুজাতিক এ ব্যাংক।
এইচবিএলের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিশেষ সুবিধা তৈরি করেছে। দক্ষিণ এশিয়া ও মেনা অঞ্চলের মাত্র তিনটি ব্যাংকের মধ্যে এইচবিএল অন্যতম, যারা চীনে প্রান্ত থেকে প্রান্ত আরএমবি মধ্যস্থতা সেবা দেয়। চীনে ব্যাংকটির বেইজিং ও উরুমচি শাখা বৈদেশিক মুদ্রা এবং আরএমবি লাইসেন্সপ্রাপ্ত।
চীনে উপস্থিতির মাধ্যমে চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর (সিপিইসি) ও বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) করিডোরসংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ও শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়েছে এইচবিএল। পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর, শ্রীলংকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কেনিয়াসহ বিভিন্ন দেশে থাকা গ্রাহকরাও নিজ নিজ দেশ এবং চীনে ব্যাংকটির পণ্য ও সেবা গ্রহণ করতে পারেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ৫০ বছর পরও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির পরবর্তী ধাপকে সমর্থন এবং গ্রাহকদের নতুন সুযোগ অনুসন্ধান ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক কাজে লাগানোর অঙ্গীকার জানিয়েছে এইচবিএল।










