আমদানি-রফতানি ও ট্রানজিট বাণিজ্য সহজীকরণে দেশের সব কাস্টম হাউজ, দুটি বিমানবন্দর ও কয়েকটি শুল্ক স্টেশনে গঠন করা হয়েছে সীমান্ত বাণিজ্য সমন্বয় কমিটি। স্বল্প সময়ে পণ্য খালাস, বাণিজ্য ব্যয় কমানো ও প্রতিযোগিতামূলক বাজারে পিছিয়ে পড়া ঠেকাতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, বেনাপোল, কমলাপুর ও পানগাঁও কাস্টম হাউজে এ সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া সাতক্ষীরার ভোমরা, চুয়াডাঙ্গার দর্শনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ, দিনাজপুরের হিলি, পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা, লালমনিরহাটের বুড়িমারী, সিলেটের তামাবিল ও শেওলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া ও কক্সবাজার টেকনাফ স্থল শুল্ক স্টেশনেও কমিটি করা হয়েছে। একই সঙ্গে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শুল্ক স্টেশন ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শুল্ক স্টেশনেও কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি কাস্টম হাউজ ও শুল্ক স্টেশনের কমিশনারকে আহ্বায়ক এবং উপকমিশনারকে সদস্য সচিব করে সীমান্ত বাণিজ্য সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২৪ সদস্যের কমিটিতে রয়েছেন আরো ২২টি সংস্থার প্রতিনিধি। এর মধ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষ বা সিভিল এভিয়েশন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, নৌবাহিনী, ইমিগ্রেশন বিভাগ, বিমান বাংলাদেশ, বিস্ফোরক অধিদপ্তর ও বিএসটিআইয়ের প্রতিনিধিও রয়েছেন।
এ কমিটি নিজ নিজ কাস্টম হাউজ, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, স্থল শুল্ক স্টেশনের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি ও ট্রানজিট বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে বিদ্যমান আইন ও বিধান অনুযায়ী উদ্যোগ নেবে। প্রতি তিন মাসে ন্যূনতম একটি সভা ডেকে মতামতের আলোকে বাণিজ্যসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাবে। বাণিজ্য সহজ করতে সুপারিশ করবে ও অন্যান্য কার্য সম্পাদন করবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানিয়েছে, পণ্য চালান আমদানি-রফতানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা যেমন কাস্টমস, বন্দর কর্তৃপক্ষ, উদ্ভিদ ও প্রাণী সঙ্গনিরোধ দপ্তর, ব্যাংক, বিএসটিআই, বিজিবি, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, শিপিং এজেন্ট, স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয় করা গেলে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া আরো দ্রুততর হবে।










