পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেট্রো স্পিনিং লিমিটেডের উৎপাদন আগামী এক বছরের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। কারখানা ভবন পুনর্নির্মাণ, পুরনো মেশিনারি অপসারণ, নতুন মেশিনারি স্থাপন ও পরীক্ষামূলক উৎপাদনের জন্য বন্ধ থাকবে কারখানাটি। গতকাল ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুসারে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে নতুন কারখানা তৈরির কাজ শুরু হয়। সে সময় কোম্পানির পক্ষ থেকে প্রথম দফায় ১২ মাস কারখানা বন্ধের কথা জানানো হয়েছিল। গতকাল নতুন করে আরো ১২ মাস কারখানা বন্ধের কথা জানানো হয়েছে। ফলে নতুন কারখানা ভবন নির্মাণ ও আধুনিকায়নের জন্য দুই বছর সময় নিল কোম্পানিটি।
অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ২৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯৩ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৫১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ১২ পয়সা। সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য মোট ৮ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছিল মেট্রো স্পিনিংয়ের পর্ষদ। যার মধ্যে ঘোষিত ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এরই মধ্যে শেয়ারহোল্ডারদের কাছে পাঠিয়েছে কোম্পানিটি। তবে ঘোষিত ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশে অসম্মতি জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯৯ পয়সা।
২০০২ সালে পুঁজিবাজারে আসা মেট্রো স্পিনিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬১ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভ রয়েছে ৩৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ১৬ লাখ ৯৮ হাজার ২৭৫। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালক ৩০ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৩ দশমিক ২৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ৫৬ দশমিক ৬৫ শতাংশ শেয়ার। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ার ১৩ টাকা ৯০ থেকে ২৫ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে লেনদেন হয়েছে।










