চিনির বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রভাব কমছে না। খুচরা বাজারের চিনি ১১৮-১২০ টাকার নিচে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। প্যাকেটজাত চিনি বাজার থেকে উধাও। ফলে বাধ্য হয়ে ক্রেতারা খোলা চিনি বাজার থেকে কিনছেন বেশি দামে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সরকারের বেঁধে দেয়া খুচরা মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে পাইকারি বাজার থেকেই চিনি কিনতে হচ্ছে। যে কারণে বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছে। যদিও মিল কর্তৃপক্ষ বলছে, মিল থেকে সরবরাহের ঘাটতি নেই।
নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জের বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, পাইকারি বাজারে চিনি বেচাকেনা হচ্ছে ১০৭-১০৮ টাকা কেজি দরে। খুচরা বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১৮১২০ টাকা কেজি দরে। অথচ সরকারি খুচরা মূল্য ১০৫ টাকা।
মাসদাইরের খুচরা ব্যবসায়ী রমিজ উদ্দিন দাবি করেন, পাইকারি দোকান থেকে এক বস্তা চিনি কিনতে হচ্ছে ১০৬-১০৭ টাকা কেজি দরে। অন্যান্য খরচ দিয়ে বেশি দামে বেচাকেনা করতে হয়।
নিতাইগঞ্জের পাইকারি ব্যবসায়ী নারায়ণ সাহা জানান, অস্থিরতার মূলে রয়েছে মিল থেকে চাহিদা অনুযায়ী চিনি সরবরাহ না করা। ডিও কেটে এক দেড় মাস চিনির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ডিওতে ডেলিভারির যে তারিখ দেয়া হয় সে তারিখেও চিনি পাওয়া যায় না। চিনি পেতে হলে আরো ছয়-সাতদিন মিল গেটে ট্রাক নিয়ে বসে থাকতে হয়। ফলে ট্রাক ভাড়ার ক্ষতিপূরণ দিতে হয়। সব মিলিয়ে পাইকারি বাজারে ১০৭-১০৯ টাকা কেজিতে চিনি বিক্রি করতে হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী জানান, যারা বেশি দামে স্পেশাল ডিও কাটছে তাদের চিনি দেয়া হচ্ছে। আগে মিল গেটে মনিটরিং বাড়ালে ভোক্তারা আরো কম দামে চিনি পেত।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ চিনি মিলের চিফ অপারেটিং অফিসার এমএ বাকার বলেন, চিনির সরবরাহের ঘাটতি নেই।









