বাংলাদেশের কৃষি খাতের অনন্য দিক হচ্ছে এর উর্বর জমি ও কৃষিঐতিহ্য দ্বারা চিহ্নিত। দেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কৃষি। তবে বাংলাদেশের কৃষি সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সবজি উৎপাদন ও ভোজনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও স্থায়িত্বশীলতা অর্জন উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এক্ষেত্রে আধুনিক চাষাবাদের কৌশলগুলোয় সীমিত অভিগম্যতা, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, বাজারের দামের ওঠানামা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের মতো কারণগুলো সবজি উৎপাদন ও প্রাপ্যতাকে দারুণভাবে প্রভাবিত করছে এবং সবজি আমদানিতে নির্ভরতাকে বাড়াচ্ছে। সুস্থ ও কর্মক্ষম মানুষের জন্য নিয়মিত প্রতিদিন জনপ্রতি ৩০০ গ্রাম সবজি গ্রহণ করা অত্যাবশ্যক, বর্তমানে এ গ্রহণমাত্রা ২০২ গ্রাম, অর্থাৎ এক-তৃতীয়াংশ, যদিও সব মানুষ সমভাবে তা গ্রহণ করছে তা বলা ঠিক হবে না। তবে দেশে বিগত কয়েক দশকে প্রতিদিন সবজি গ্রহণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়েছে। দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার সবজির চাহিদা, রফতানি চাহিদা, শিল্পের কাঁচামাল, সংগ্রহোত্তর অপরিহার্য ক্ষতি ধরে সবজির চাহিদা নিরূপণ করলে আমরা উৎপাদনে অনেক পিছিয়ে, পাশাপাশি গুণগতমানের চ্যালেঞ্জ তো আছেই। দেশে দুভাবে সবজির জোগান ঘটে; উন্মুক্ত মাঠে চাষবাস, অন্যদিকে বসতবাড়ির আঙিনায় চাষ, প্রথমটি বাণিজ্যিক প্রয়োজনে শেষেরটি পারিবারিক প্রয়োজনে তবে বসতবাড়ির উৎপাদিত পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত সবজি স্থানীয়ভাবে বিক্রি হয়। অন্যদিকে বিদেশে যেমন সবজি রফতানি হয় তেমনি বিদেশ থেকেও প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সবজি আমদানি হয়, যা ক্রমবর্ধমান। বিবিএসের তথ্য অনুসারে, ২০২২-২৩ বছরে দেশে ৩০-৩৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ৫০-৫৫ হাজার টন সবজি আমদানি হয়, আমদানীকৃত সবজির বেশির ভাগই অভিজাত হোটেল-রেস্তোরাঁয় ব্যবহার হয়। আমদানির ওপর এ অত্যধিক নির্ভরতা খাদ্যনিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করে, বিশেষ করে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের ব্যাঘাত এবং মূল্যের অস্থিরতার আলোকে। অধিকন্তু ক্ষুদ্র কৃষক, যারা বাংলাদেশের অধিকাংশ সবজি উৎপাদনকারী, তাদের প্রায়ই আধুনিক চাষাবাদের কৌশল, মানসম্পন্ন বীজ, সেচ সুবিধা এবং ফসল কাটার পরের অবকাঠামোর অভাব রয়েছে, যার ফলে উৎপাদনশীলতা এবং আয়ের মাত্রা কম হয়। অতিরিক্তভাবে নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণগুলো যেমন অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রার ওঠানামা এবং চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাংলাদেশের কৃষি খাত, বিশেষত সবজি উৎপাদন খাতের দুর্বলতাকে আরো বাড়িয়ে তুলছে, যা ফসলের ফলন এবং জীবিকাকে প্রভাবিত করছে দুর্ভাগ্যজনকভাবে। এমন বাস্তবতায়, বাংলাদেশে সবজি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য ‘সাদা বিপ্লব’-এর মতো একটি রূপান্তরমূলক উদ্যোগ দরকার, যা দেশের যুবসমাজকে কৃষিতে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে অনবদ্য কাজ করবে।

পৃথিবীতে খাদ্য ও কৃষি ব্যবস্থায় বেশ কয়েকটি বিপ্লব অতিপরিচিত, যেমন সবুজ বিপ্লব, সোনালি বিপ্লব যথাক্রমে ফসলের প্রজনন বিপ্লব বা জিন বিপ্লব ও মধু আহরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে সাদা বিপ্লবও ফসল উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, কিন্তু তবে তা জিন বিবর্তন না করে উৎপাদন পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণ ও সম্পাদনের মাধ্যমে করা হয়, অর্থাৎ নিয়ন্ত্রিত চাষের দ্রুত সম্প্রসারণ ও সাফল্যই ‘সাদা-বিপ্লব’ নামে খ্যাত। নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ তৈরি করতে সাদা স্বচ্ছ পলিথিনের ঘরে ফসল উৎপাদন কৌশল দ্রুত ও ব্যাপক বিস্তারই ‘সাদা-বিপ্লব’। সাদা বিপ্লবের আরেক নাম প্লাস্টিকালচার, যা দুটি শব্দের সংমিশ্রণ যথা প্লাস্টিক ও কৃষি এবং সারা বিশ্বে খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহার হয়। ১৯৪০-এর দশকে কেনটাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উদ্যানতত্ত্ববিদ ই.এম. এমমার্ট, যিনি "প্লাস্টিক গ্রিনহাউজের জনক" হিসেবে পরিচিত, তিনি নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে কৃষি উৎপাদনের জন্য প্লাস্টিক ফিল্ম ব্যবহার জনপ্রিয় করেন। এই প্লাস্টিক ফিল্মের মূল লক্ষ্য হলো উচ্চফলনশীল ফসল উৎপাদন করা, যা সৌর বিকিরণ আহরণের জন্য গাছপালাকে খুব প্রতিকূল আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কম আদর্শ পরিবেশ থেকে রক্ষার কাজে ব্যবহার করা হয়। পৃথিবীতে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম দেশ হিসেবে সবজি উৎপাদন বাড়ানোর জন্য জাতীয় নীতি হিসেবে ‘সাদা-বিপ্লব’কে চিহ্নিত করে এবং চাষাবাদ শুরু করে। ফলাফল হিসেবে দুই দশকে তারা সবজি উৎপাদনে স্বয়ম্ভরতা অর্জন করতে সমর্থ হয় এবং তখন থেকে দক্ষিণ কোরিয়া দীর্ঘ সময়ব্যাপী প্রতিদিন সবজি গ্রহণে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর অন্যতম। যদিও উন্নত বিশ্ব তথা, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, জাপান প্রভৃতি দেশ এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে আসছে আর নেদারল্যান্ডস প্লাস্টিকালচারকে বাণিজ্যিক রূপ দিয়েছে। 

দেশের কৃষিনীতির মূল লক্ষ্য নিরাপদ, লাভজনক কৃষি এবং টেকসই খাদ্য ও পুষ্টিনিরাপত্তা অর্জন। পুষ্টি চাহিদা পূরণের সহজ ও সস্তা উৎস হলো বছরব্যাপী নানা সবজি গ্রহণ করা, বর্তমানে সবজি চাষের আওতায় মাত্র শূন্য দশমিক ৪ মিলিয়ন হেক্টর জমি (মোট কৃষিজমির মাত্র ২ দশমিক ৫২ শতাংশ) আছে, তা থেকে প্রচলিত পন্থায় চাষ করে উৎপাদনে স্বয়ম্ভরতা অর্জন সম্ভব, তা নিশ্চিত করে বলা যাবে না, আবার অদূর ভবিষতে সবজি চাষের আওতায় জমির পরিমাণ বাড়বে, তাও হয়তো সম্ভব হবে না। কারণ সবজি চাষ হয় উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমিতে যার বেশির ভাগ চলে যাচ্ছে শিল্পায়নে। ফলে সীমিত জমি থেকে আরো বেশি পরিমাণে সবজি উৎপাদন করতে হবে, তার উপায়ও বের করতে হবে। পৃথিবীব্যাপী এখন এ পন্থার নাম হলো প্লাস্টিকালচার। কথা উঠতেই পারে বাংলাদেশে ‘সাদা-বিপ্লব’ কতটুকু বাস্তবসম্মত, বিশেষ করে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে তুলনামূলক সস্তায় চাষ করে কৃষক তাদের উৎপাদিত সবজির ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না, সেখানে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বেশি বিনিয়োগ করে উৎপাদিত সবজির দাম তো আরো পাবে না। 

তবে এটাও তো ঠিক যে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে, মানুষের গড় ক্রয়ক্ষমতা নব্বইয়ের দশকের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেড়েছে, মানসম্মত খাবারের প্রতি মানুষের ঝোঁক বেড়েছে, অর্থাৎ একটা ব্যাপক সংখ্যক ভোক্তা শ্রেণী তৈরি হয়েছে, যারা নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে একটু বেশি দাম দিয়ে মানসম্মত খাবার কেনার সামর্থ্য রাখে, এ হলো অর্থনৈতিক দিক। অন্যদিকে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মাঠের তুলনায় বেশি মাত্রায় জৈব ও নিরাপদ সবজি উৎপাদন করা যায়। কারণ এ ব্যবস্থায় রাসায়নিক সার অনেক কম লাগে, একটু সতর্ক থাকলে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কমানো যায়, আবার পানির ব্যবহারও নিয়ন্ত্রণ করা যায়, আন্তঃফসল, সাথী ফসল ইত্যাদি সব উপায় অবলম্বন করে সবজি উৎপাদন করা যায়। ফলে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সবজি চাষ পরিবেশ সহায়ক। আবার যেভাবে অপরিকল্পিত হারে শিল্পায়ন হচ্ছে তাতে উন্মুক্ত পরিবেশে ইচ্ছা থাকলেও নিরাপদ সবজি ফসল পাওয়া কোনো অবস্থায় সম্ভব নয়। এটাকে বলা যায় প্রতিকূল পরিবেশ থেকে ফসল রক্ষা করে প্রতি একক জমি থেকে বেশি ফলন নেয়ার কৌশল। ফলে ‘সাদা-বিপ্লব’ খুবই প্রাসঙ্গিকভাবে অত্যাবশ্যক। 

‘সাদা-বিপ্লব’ রাতারাতি বাস্তবায়ন হবে না, সম্ভবও নয়। তবে পলিসি বা নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়ার এখনই উপযুক্ত সময় এবং বাস্তবায়নের জন্য কৌশলী পরিকল্পনা দরকার। বাংলাদেশে এখন জনমিতিক লাভের যুগে প্রবেশ করেছে, এখন প্রচুর যুব উদ্যোক্তা তৈরি হতে চলেছে, তাদের নিয়ে এই স্মার্ট কৃষির যুগে প্রবেশ করার প্রাধিকার দরকার হবে। যুব উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নের জন্য একটি বহুমাত্রিক পদ্ধতির প্রয়োজন, যা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ মোকাবেলা করে। প্রথমত, তরুণদের কৃষি নব উদ্যোগের সঙ্গে আকর্ষণ বাড়াতে হবে, শুরু করতে হবে এবং তা ঊর্ধ্বমুখী (আপস্কেল) করতে সক্ষম করার জন্য অর্থ, জমি, উপকরণ এবং প্রযুক্তির অ্যাকসেস বা অভিগম্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে প্রথমেই আসে অর্থায়ন, বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, দেশের মোট কৃষি ঋণের মাত্র ১০ শতাংশ যুব উদ্যোক্তাদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে, কিন্তু এ খবর খুব কম উদ্যোক্তাই জানে। ফলে লক্ষ্যযুক্ত আর্থিক সহায়তা এবং উদ্ভাবনী অর্থায়ন ব্যবস্থার প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, বৃত্তিমূলক কোর্স এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মশালাসহ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ, যুবকদের কৃষি উৎপাদন, মূল্য সংযোজন, বিপণন এবং ব্যবসায় ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতার সঙ্গে সজ্জিত করার জন্য অপরিহার্য। তৃতীয়ত, বাজার সংযোগ সহজতর করা, মূল্যশৃঙ্খল প্রতিষ্ঠা ও যুব উদ্যোক্তাদের জন্য বাজারের সুযোগ তৈরি করা তাদের উদ্যোগের লাভজনকতা এবং স্থায়িত্ব নিশ্চিতের জন্য অপরিহার্য। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের (আইএলও) মতে, বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং বাজারমুখী কৃষির প্রচার গ্রামীণ এলাকায় যুব কর্মসংস্থান বাড়াতে পারে এবং জীবিকা উন্নত করতে পারে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র খামারির দেশ। এখানে পারিবারিক কৃষি হলো কৃষির মূলধারা, সে ধারায় সাদা বিপ্লবের ছোট ছোট (১০ শতকের) প্লাস্টিক হাউজ পারিবারিক জীবিকা নির্বাহের জন্য খুবই উপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য। দেখা গেছে, উন্মুক্ত পন্থায় যেখানে ১০ শতক জমিতে সবজিভেদে আধা থেকে দুই টন সবজি উৎপাদন করা যায়, সেখানে সাদা বিপ্লবে তা এক থেকে ছয় টন ফলন পাওয়া যায়। বাস্তবায়নের প্রাথমিক কৌশল হিসেবে কম খরচের ঘর ব্যবহার করা যেতে পারে, সেক্ষেত্রে উৎপাদন খরচ কমে হবে, পাশাপাশি দক্ষতাও বাড়বে। দেশে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চাষাবাদে প্রযুক্তির অপর্যাপ্ততা আছে, সেজন্য সরকারি উদ্যোগে কর্মসূচি প্রণয়ন করে এ প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও বিস্তার করা যায়। কৃষি খাতে এখন বৃহত্তর প্রোগাম পার্টনার বাস্তবায়ন হচ্ছে এবং জিএপি নামক কৃষি ব্যবসা বাস্তবায়ন হবে। সেখানে সাদা বিপ্লব কর্মসূচিটি জুড়ে দেয়া যেতে পারে। কারণ চুক্তিবদ্ধতা ছাড়া জিএপি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। ফলে বাজারমুখী কৃষি বাস্তবায়ন করতে অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত চাষের ‘সাদা বিপ্লব’ অত্যাবশ্যক, এতে তরুণ উদ্যোক্তা লাভবান হবে। তরুণ আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগে খুব আগ্রহী হয়, বর্তমানে কৃষি আইআর আবির্ভাব সময়ের চাহিদা, এ ব্যবস্থায় ডিজিটাল প্রযুক্তি বা আইওটিতে খুবই সহজে তরুণরা আগ্রহ পাবে এবং সাদা বিপ্লবে কৃষি শিল্প বিকশিত হবে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যা এ মুহূর্তে খুবই দরকার। 

বাংলাদেশে সবজির স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং দেশের কৃষি খাতকে রূপান্তরের জন্য একটি ‘সাদা বিপ্লব’-এর উদ্যোগে যুব উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে সবজি উৎপাদনে চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ মোকাবেলা করে বাংলাদেশ তার যুব জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনাকে উন্মোচন করতে পারে এবং টেকসই উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির জন্য তাদের শক্তি, উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা মনোভাবকে কাজে লাগাতে পারে। সরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সংস্থা, সুশীল সমাজ-গোষ্ঠী এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা এবং অংশীদারত্বের মাধ্যমে একটি প্রাণবন্ত ও স্থিতিস্থাপক কৃষি খাতের বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গির রূপান্তর দরকার, যা সবার জন্য খাদ্যনিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করে।

ড. একেএম কামরুজ্জামান ও ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

গবেষক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর