মিয়ানমারের জান্তা সরকার ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘাতের ইস্যুটি বাংলাদেশকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা কতটা মজবুত এবং সরকারের পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত তা এখন আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, কেননা বিদ্রোহীদের হামলার কারণে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বহু সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। মিয়ানমারে চলমান সংঘাত, আরাকান আর্মি বা থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের একটি অংশ বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী চৌকিগুলোর দখলে নেয়া একদিকে যেমন দেশটির সরকার ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে, অন্যদিকে ঠিক ততটাই বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও আসন্ন অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে মনোযোগী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। চলমান সংঘাতের ধরন, ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের কৌশলগত তৎপরতা, অপারেশন ১০২৭, ১১০৭, ১১১১ এবং বাংলাদেশের বহুমুখী প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত এমন আরো নানা তথ্য থাকছে এ বিশ্লেষণে।
মিয়ানমারে প্রায় ৩৭টিরও বেশি জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী রয়েছে, যারা ২০২১ সালে অং সান সু চিকে পুনরায় বন্দি করার মাধ্যমে জান্তা সরকারের ক্ষমতা দখলের পর আরো ব্যাপকভাবে আগ্রাসী হয়ে উঠেছে। গত বছরের ২৭ অক্টোবর থেকে থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অপারেশন-১০২৭ আরম্ভ হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল মিয়ানমারের বেসামরিক নাগরিকদের জীবন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা, বেসামরিক নাগরিকদের আত্মরক্ষার অধিকার, মিয়ানমারের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা, জান্তা প্রশাসন পরিষদের দ্বারা সংঘটিত চলমান আর্টিলারি আক্রমণ এবং বিমান হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা, অত্যাচারী সামরিক শাসন নির্মূল করা, মিয়ানমারের ব্যাপক অনলাইন জুয়ার জালিয়াতি বিস্তার রোধ করা। এ অপারেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য ছিল চীন-মিয়ানমার সীমান্ত বরাবর জান্তা বাহিনীর প্রবেশ নিষিদ্ধ করা।
আন্তর্জাতিক অনেক পর্যবেক্ষক অপারেশন-১০২৭ শুরুর মূল কারণ হিসেবে চীনের প্রভাবশালী ভূমিকার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। অন্যরা বিদ্রোহীদের উদ্দেশ্যকে কেবল চীনের ইচ্ছার সম্প্রসারণ হিসেবে না দেখার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। তবে এক্ষেত্রে চীনের অবস্থান বহুমুখী। সাইবার কেলেঙ্কারি সম্পর্কে উদ্বেগ, চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোরে জান্তার কাছ থেকে অনুকূল ছাড়ের অন্বেষণ এবং বিদ্রোহীদের মধ্যে প্রভাব অর্জনের সুযোগ—এ সবই রয়েছে চীনা নীতিনির্ধারকদের চিন্তায়। থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স ভালো সম্পর্ক বজায় রেখেছে চীনের সঙ্গে, চীনের সীমান্তে এবং চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর বরাবর সংঘর্ষ পরিচালনায় চীনকে ভূমিকা পালন করার অনুমতি দেয় তারা।
আবার অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, অপারেশন-১০২৭ মিয়ানমারের বসন্ত বিপ্লবের একটি ধারাবাহিকতা। এ দৃষ্টিকোণটি সশস্ত্র প্রতিরোধের ক্রমাগত জনসমর্থন এবং একটি বৃহত্তর জাতীয় আন্দোলনের একটি উপাদান হিসেবে অপারেশনকে ব্যাখ্যা করার পক্ষে। এ মতের সমর্থনকারীরা চলমান প্রতিরোধকে মিয়ানমারের দীর্ঘস্থায়ী সংগ্রামের যৌক্তিক সম্প্রসারণ হিসেবে দেখছে। এ প্রতিরোধ সংগ্রামের অংশ হিসেবেই কারেন জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীরা অপারেশন-১১০৭ শুরু করে গত বছরের ৭ নভেম্বর এবং কারেন্নি জাতিগত সশস্ত্রগোষ্ঠী ১১ নভেম্বর অপারেশন-১১১১ শুরু করে, যা এখনো চলমান। এর ফলাফল হিসেবে বর্তমানে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা যাকে মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ, মিয়ানমার বসন্ত বিপ্লব বা জনগণের প্রতিরক্ষামূলক যুদ্ধ বলে আখ্যায়িত করেছে।
এদিকে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টাও হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে, যা মোটেই সফলতার মুখ দেখেনি। থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স মনে করে, মিয়ানমারের জান্তা ও থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের মধ্যে চীনের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন করে চীনা সরকারকে অপমান করছে সামরিক জান্তা। থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স বছরের শুরুতে ১০ ও ১১ জানুয়ারি চীনের কুমিং আলোচনায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল, শহর দখল এবং উত্তর শান রাজ্যে শাসক ঘাঁটির বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং জান্তা সেখানে কামান বা বিমান হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
১৩ জানুয়ারি তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) দাবি করেছিল যে জান্তা সরকার লাশিও ও কিউকমে টাউনশিপসহ উত্তর শানের বিভিন্ন টাউনশিপে বিমান হামলা চালিয়ে তাদের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করেছে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী মান্দালয় অঞ্চলের ‘মোগোক’ টাউনশিপেও জান্তা বাহিনী হামলা করেছে। ১৬ জানুয়ারি জান্তা সেনারা কোকাং অঞ্চলে অঞ্চলে মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (এমএনডিএএ) সেনাদের ওপর একটি আকস্মিক গ্রেনেড হামলা চালায়। পরে পিছু হটতে থাকা জান্তা সেনারা ভারী বিস্ফোরক দিয়ে এমএনডিএএ অঞ্চলে গোলাবর্ষণ করে। অপারেশন চলাকালীন জাতিগত জোট উত্তরের শান রাজ্যের বেশির ভাগ নিয়ন্ত্রণ দখল করে, যার মধ্যে প্রায় ২০টি শহর ও চীনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ রয়েছে। জোটটি বেশ কয়েকটি প্রধান সামরিক কমান্ড সেন্টারসহ ৫০০টিরও বেশি জান্তা ঘাঁটি এবং ফাঁড়ি দখল করে। আরাকান আর্মি গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে পশ্চিম মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অপারেশন ১০২৭ আরো বিস্তার করে। বর্তমানে ১৬০টিরও বেশি ঘাঁটি এবং চৌকি দখলে আছে তাদের (বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী ৬০টির অধিক চৌকি এর মধ্যে রয়েছে)। রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিত্তওয়ের কাছে পাউকতাও শহর এবং প্রতিবেশী চিন রাজ্যের পালেতওয়া শহরও তারা দখল করেছে। বর্তমানে মিয়ানমারের মোট আয়তন ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৫৫২ বর্গকিলোমিটারের ৫৩ শতাংশ এলাকা জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহীগোষ্ঠীদের দখলে এবং ১৭ শতাংশ এলাকায় সংঘাত চলমান, ৩০ শতাংশ এলাকায় জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে ইরাওয়াদ্দি সংবাদপত্র দাবি করেছে।
মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী প্রতিরোধের অংশ হিসেবে, রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি এবং জান্তা বাহিনীর চলমান সংঘাত সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় বেশ বেগবান হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি রাখাইন রাজ্যের মংডুতে আরাকান আর্মি ও জান্তা বাহিনীর মধ্যে অন্তত বেশ কয়েকবার সংঘর্ষ হয়। ৪ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হয় যখন জান্তা সেনারা মি তাইক গ্রামের উত্তর-পূর্বে পর্বতমালার কাছে একটি আরাকান আর্মির ফাঁড়িতে লুকিয়ে আক্রমণ চালায়। ৬ ফেব্রুয়ারিও ঘণ্টার পরপর সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে এবং বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়। বেশ কয়েকটি মর্টার শেল, গুলির খোসা, গুলিও উদ্ধার হয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায়। তাছাড়া ৭ ফেব্রুয়ারি নাগাদ তিন শতাধিক বিজিপি (জান্তা বাহিনীর বর্ডার গার্ড পুলিশ) বাংলাদেশের সীমান্ত অতিক্রম করে পালিয়ে আসে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে আশ্রয় গ্রহণ করে। এরই মধ্যে নতুন করে কিছু রোহিঙ্গাও সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ঢুকে পড়ে বাংলাদেশে। বিজিবির তথ্য বলছে, কিছু রোহিঙ্গাকে স্থানীয়রা আটক করে বিজিবির হাতে তুলে দেয়; অস্ত্রসহ আটকের পর বিজিবি তাদের হেফাজতে নিয়েছে। প্রাথমিক তথ্যে আটক রোহিঙ্গারা নবী হোসেন বাহিনীর (আরএসও) সদস্য বলে জানা গেছে। তারা সীমান্তের ওপারে বিজিপির (মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী) হয়ে কাজ করত বলে দাবি করে। মূলত নবী হোসেন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে থেকে ইয়াবা, আইস ও অস্ত্র পাচারসহ নানা অপরাধ পরিচালনা করত, তাই তাকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করেছিল বিজিবি। আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) ব্যর্থ অভিযানের ফলে জান্তা সরকারের জাতিগত নিধনের ফলাফল হিসেবে ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গারা পালিয়ে আসার পর থেকে নবী হোসেন পালংখালী ইউনিয়নের পুঠিবনিয়া ও সফিউল্লাহ কাটা এলাকায় রাজত্ব কায়েম করে রেখেছে। বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী নবী হোসেন গ্রুপের সহযোগী হিসেবে স্থানীয় কিছু ব্যক্তি ও রোহিঙ্গারা কাজ করছে। এছাড়া পালংখালী আনজুমানপাড়া, বটতলী সীমান্তে থাকা অপরাধীরা রাতের অন্ধকারে মিয়ানমারের ওপারে গিয়ে অস্ত্র ও ইয়াবা লুট করে এপারে নিয়ে আসছে। তবে লুটকারীরা অস্ত্রধারী হওয়ায় সহজে কেউ মুখ খুলেছেন না। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিনের ভাষ্যমতে, ‘ভয়ংকর পরিস্থিতি থাকায় সীমান্তে কী হচ্ছে তা বলা মুশকিল। ভয়ে সাধারণ মানুষ সেদিকে যায় না। আমার কাছেও অস্ত্র লুটের খবর এসেছে। সেদিন ২৩ জনকে আটক করা হলেও অনেকে অনেকভাবে ক্যাম্পে প্রবেশ করেছে। কিন্তু সঠিক তথ্য না পেলে কোনো মন্তব্য করা যাবে না। যদি অস্ত্র মজুদের তথ্য সঠিক হয়ে থাকে তবে দ্রুত অস্ত্রগুলো জমা নিতে হবে। অন্যথায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতি হতে পারে।’
সার্বিক দিক বিবেচনা করলে অনুধাবন করা যায় কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ। একদিকে যেমন সীমান্তে অনুপ্রবেশ বাড়ার আশঙ্কা, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ রোহিঙ্গা সমস্যায় জর্জরিত বাংলাদেশ ‘আরসা’ কিংবা ‘আরএসও’ (ক্যম্পে আল-ইয়াকিন নামে পরিচিত) পুনরায় সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা প্রবলভাবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। রাখাইন রাজ্যের বেশির ভাগ এলাকা এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে শুধু রাজধানী সিত্তে জান্তা সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে। জান্তা সরকারের পুনরায় দখলের চেষ্টা নতুনভাবে সীমান্তে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা আরো বাড়িয়ে দেবে। ‘অপারেশন – ১১০৭, ১১১১ এবং ১০২৭’-এর ফলে প্রায় নয় লাখের অধিক অভ্যন্তরীণ শরণার্থী তৈরি করেছে, যা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে পারে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করেন, রাখাইন অঞ্চলে আরাকান আর্মির প্রভাব বাড়লে সেটি আরএসওকে শক্তিশালী করবে। এবং আরাকান আর্মির সঙ্গে ‘আরসা’র সংঘাত আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা থাকবে।
বাংলাদেশ এ মুহূর্তে ভারত-চীন কীভাবে এ সমস্যা মোকাবেলা করবে তার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে আছে। তবে ‘বার্মা অ্যাক্ট’ যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদাভাবে শক্তিশালী প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করে দেবে এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে। সমস্যাটি শুধু দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তিতে নয়, বরং আঞ্চলিক বা বহুপক্ষীয় কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে নিতে হবে।
খেয়াল রাখতে হবে, রাখাইন রাজ্যে চীনের গভীর সমুদ্রবন্দর ও গ্যাস পাইপলাইনসহ বড় অংকের বিনিয়োগ বিদ্যমান। রাখাইন অঞ্চলে চীন তার প্রভাব হারাতে চাইবে না, বরং স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখতে বিদ্রোহীদের সঙ্গে যেকোনোভাবে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চাইবে। ভারতেরও সীমান্ত লাগোয়া পালোতোয়ায় কোটি ডলারের প্রকল্প চলমান, দূরবর্তী অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে সেখানে বিনিয়োগ করেছিল ভারত। যুক্তরাষ্ট্রেরও অনেক দিনের ইচ্ছা এ অঞ্চলে তাদের ঘাঁটি তৈরি করা। অতএব মিয়ানমারের পরিস্থিতি মোকাবেলায় ভারত-চীনের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন তার ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি।
মুহাম্মদ আয়াজ উদ্দিন: সাবেক শিক্ষার্থী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়










