ফারুক মঈনউদ্দীন ব্যাংকার ও লেখক। বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারপারসন হিসেবে কাজ করছেন। এর আগে তিনি ছিলেন ট্রাস্ট ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও। ট্রাস্ট ব্যাংকে যোগদানের আগে ফারুক মঈনউদ্দীন সিটি ব্যাংক লিমিটেডের একাধারে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর, চিফ রিস্ক অফিসার এবং মানি লন্ডারিং বিরোধী প্রধান পরিপালন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি মার্কেন্টাইল ব্যাংক ও এবি ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবেও কর্মরত আছেন। ব্যাংক ও আর্থিক খাতের নানা বিষয় নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন বণিক বার্তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাবিদিন ইব্রাহিম
ব্যাংক ও আর্থিক খাতের জন্য কেমন ছিল বিদায়ী ২০২৩ সাল?
নিকট অতীতে মূল্যস্ফীতির হার এত বাড়েনি। বেশ কয়েক বছর ধরে আমরা মূল্যস্ফীতির বিষয়ে স্বস্তিতে ছিলাম। ব্যাংকের খেলাপি ঋণের মুহুর্মুহু উল্লম্ফন আমরা দেখেছি। শত চেষ্টা করে, বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার পরও খেলাপি ঋণের হারকে কোনোভাবেই কমিয়ে আনা যায়নি। ব্যাংকার হিসেবে যদি বলে এটা আমাদের অর্থনীতি ও ব্যাংক খাতের ক্ষেত্রে কলঙ্কজনক অধ্যায়। গত বছর আরেকটি মাথাব্যথার কারণ ছিল ডলার সংকট। এর ফলে আমাদের আমদানি কমিয়ে ফেলতে হয়েছিল। অর্থনীতির জন্য যা মোটেও ভালো নয়। আমাদের রফতানিতে কোনো প্রবৃদ্ধি ঘটেনি এবং আমাদের আরেকটি বড় খাত রেমিট্যান্স সেখানেও শ্লথগতি ছিল। আমাদের জনশক্তির রফতানি বাড়লেও রেমিট্যান্সে তার প্রভাব দেখিনি। ২০২৩ সাল চলে গেছে তার মানে এই নয় আমরা ওই বছরের সংকট থেকে বেরিয়ে এসেছি।
বিদায়ী বছরের ইতিবাচক দিকগুলো কী কী?
২০২৩-এর পজিটিভ দিকের কথা বলতে গেলে বলতে হবে কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি। আমাদের শস্য ফলন বেড়েছে। আরেকটা দিক হচ্ছে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নে কিন্তু কিছু মানুষ সুবিধাভোগী হয়েছে। বিশেষ করে যাদের ঘরে রেমিট্যান্স যায় তারা কিন্তু বর্ধিত মূল্য পেয়েছেন। আগে যেখানে ১ ডলারে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা পেত এখন সেখানে ১০০ থেকে ১১০ বা ১২০ টাকা পাচ্ছে। রেমিট্যান্সের যারা গ্রহীতা তারা কিছুটা লাভবান হয়েছেন। এছাড়াও গত বছর আমাদের অবকাঠামোগুলোয় খুব বড় ধরনের সংযোজন হয়েছে। যার মধ্যে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতুর কথা আমরা বলতে পারি। তারপর ঢাকার মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটর এক্সপ্রেসের এক অংশ। এ ধরনের বেশ কয়েকটি বড় ধরনের অবকাঠামো প্রকল্প চালু হয়েছে, যা আমাদের অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংযোজন। এর ফলে জিডিপির পরিমাণ বাড়ছে মান বাড়ছে এবং পরিধিও বাড়ছে। বিশেষ করে, পদ্মা সেতু সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব আনবে আমাদের দক্ষিণবঙ্গের জনগণের জন্য। দক্ষিণবঙ্গের অর্থনীতি, কৃষি, শিল্প সবকিছুর ওপরই এটি একটি বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। যেমনটা প্রভাব ফেলেছিল আমাদের যমুনা সেতু। এক সময়কার উত্তরবঙ্গ প্রায় মঙ্গাকবলিত থাকত, কর্মসংস্থানের অভাব ছিল তাদের কৃষিপণ্যের উদ্বৃত্ত থাকত যেহেতু তারা বড় বাজার পায়নি। যমুনা সেতু হওয়ায় উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে।
২০২৪ সালে ব্যাংক খাতের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ হিসেবে কী কী দেখছেন?
২০২৪ সালের মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে বলা যায় আমাদের পূর্ববর্তী চ্যালেঞ্জগুলো এখনো থেকে গেছে। যেহেতু নতুন সরকার আসবে ২০২৪ সালে, তাদের দরকারি পদক্ষেপ নিতে হবে, কঠোর ও নির্মোহ হয়ে ব্যবসায়ী চক্রের প্রভাব থেকে বের হয়ে পলিসি নিতে হবে। পলিসি হবে দেশের স্বার্থে, অর্থনীতির স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে; কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ২০২৩-এর মতো শিথিলভাবে চললে ব্যাংক ও আর্থিক খাতে বড় বিপর্যয় নেমে আসতে বাধ্য। সরকারি ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রকদের নিয়ন্ত্রণ যদি কঠোর না হয়, যা যা করণীয় তা সময় বুঝে করলে ২০২৪-এর কাজগুলো সহজ হবে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বিবেচনায় ৬০ বা ৬২টি ব্যাংক কি আমাদের আদৌ প্রয়োজন ছিল?
একেবারেই প্রয়োজন ছিল না! ব্যাংকগুলোর যখন লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখন আমাদের প্রয়াত অর্থমন্ত্রী মুহিত সাহেব প্রকাশ্যে বলেছিলেন যে এর প্রয়োজন নেই। এতে তার সায় না থাকলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় দিতে হয়েছিল। ব্যাংককে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কি নতুন ব্যাংক দরকার নাকি বিদ্যমান ব্যাংকগুলোর শাখা বৃদ্ধি করলেই হয়! সুতরাং এত ব্যাংক খোলার কারণ আমি-আপনি উভয়ই জানি এবং অবশ্যই এর কোনো প্রয়োজন ছিল না। একই কথা প্রযোজ্য প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি, প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ, নিউজ পেপার, টেলিভিশন চ্যানেল, ক্রেডিট ট্রেডিং এজেন্সি—কোনটার পারমিশন কম দেয়া আছে? একটা ভালো ব্যবসা নষ্ট না করা পর্যন্ত নতুন সুযোগ দেয়া থামে না।
বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো এমএফএসগুলো অনেক জনপ্রিয় এবং ভালো ব্যবসা করছে—এক্ষেত্রে সম্ভাবনার পাশাপাশি কী কী ঝুঁকি আছে?
এগুলোর সিকিউরিটি সিস্টেম সম্পর্কে লোকজনদের সচেতন ও ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। সিম্পল পাসওয়ার্ড ও কোড বেজড সিস্টেম হওয়ায় কিছু থ্রেশোল্ড বা লিমিটেশন পূর্বেই বলে দেয়া থাকে, ঝুঁকি তখনই হয় যখন এ বিষয়গুলোর অসাবধানতার সুযোগ নিয়ে অসাধু কিছু লোক (ভণ্ড ব্যবসায়ী বা হ্যাকাররা) ফায়দা নিয়ে থাকে। একজন মেধাবী হ্যাকার কিন্তু একজন বিজনেসম্যানও বটে! তাদের প্রতিহত করতে হলে এমএফএসগুলোয় মেধাবী ব্যক্তি নিয়োগ দেয়া প্রয়োজন। সুপার ফান্ডিং এবং রিসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব, তবে একদম ঝুঁকিমুক্ত হওয়া কখনই সম্ভব না।
২০২৩ সালে অনেক শ্রমিক বিদেশ গেছেন, এই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে কেন রেমিট্যান্স বাড়াতে পারছি না? কী পদক্ষেপ নেয়া উচিত?
অফিশিয়াল চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়াতে না পারার বড় কারণ খোলা বাজারের সঙ্গে হুন্ডির রেটের পার্থক্য।
প্রথমত, হুন্ডির সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক এক্সচেঞ্জ রেটের একটা অসামঞ্জস্যতা আছে। এই হাই ডিফারেন্সের একটি কারণ শ্রমিক বা ম্যানপাওয়ার যারা বিদেশে যাচ্ছেন তারা যখন দেখবেন যে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠালে প্রতি ডলারে ৫-৭ টাকা বেশি পাবে তখন তার দেশপ্রেম থাকলেও এ পন্থাই ভালো মনে করবেন। দ্বিতীয়ত, হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠালে আইনের বিধি-নিষেধ কম মানতে হয়, একটি ফোন কলই টাকা পাঠানোর তথ্য লিপিবদ্ধ করতে যথেষ্ট। এখন ব্যাংক যদি হুন্ডির সমান হারে টাকা দেয়া শুরু করে তাহলে কি মানুষ হুন্ডিমুখী হবে না? উত্তর হচ্ছে তাহলেও ব্যাংকের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাবে ব্যাপারটা এমন নয়। সমস্যা হচ্ছে, হুন্ডির মাধ্যমে খালি যে টাকা আসে ব্যাপারটা এমন নয়, টাকা পাচারও হয় এবং যারা টাকা পাচার করে তাদের কাছে এক্সচেঞ্জ রেটটা মুখ্য নয়। অর্থাৎ হুন্ডির সঙ্গে জড়িতদের কখনই পুরোপুরি বিতাড়িত করা যাবে না বরং অন্য কিছু উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। পলিসি লেভেলে কিছু কাজ করা সম্ভব, যেমন ২০২১ সালে যারা রেমিট্যান্স পাঠাতেন তাদের ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া হতো যা এখন আড়াই শতাংশ করা হয়েছে; এক্ষেত্রে আড়াই শতাংশ সরকার ও আড়াই শতাংশ ব্যাংক দিয়ে থাকে। যদিও আমাদের পরিকল্পনামন্ত্রী ২০২১ সালে এ ঢালাও প্রণোদনার বিপক্ষে ছিলেন। তবে আমি মাথাব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলতে রাজি ছিলাম না; আমি প্রণোদনার পক্ষে ছিলাম। এক্ষেত্রে ঢালাওভাবে প্রণোদনা না দিয়ে সরকার যেমন অন্যান্য ক্ষেত্রে যেভাবে ভর্তুকি দেয় তেমনি করে বাছাই করে তাদের ভর্তুকি দেয়া যেত। যেমন মিলিয়ন ডলারের ব্যবসায়ী নন বরং যারা খেটে খাওয়া শ্রমিক তারাই প্রণোদনা পাবেন—এমন আইন হলে তা অনেকের জন্যই সুবিধাজনক হতো। এখন পরিকল্পনামন্ত্রী নিম্ন আয়ের মানুষকে ১০ শতাংশ প্রণোদনা দেয়ার পক্ষে। আমাদের নিম্ন আয়ের পরিবারের যারা বিদেশ বা আরো নির্দিষ্ট করে বললে মধ্যপ্রাচ্যে যায় তাদের হুন্ডিবিমুখ করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। যেমন তাদের স্বীকৃতি ও মর্যাদা দেয়া। প্লেনে, এয়ারপোর্টে কোনো মর্যাদা তারা পান না এবং অফিশিয়াল চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে তারা যদি কোনো মর্যাদার নিশ্চয়তা পান তবে তারা সহজেই উদ্বুদ্ধ হবেন। মর্যাদার মতো বিমূর্ত বিষয় ছাড়াও বস্তুগত কিছু বিষয় এখানে বিবেচনায় আসতে পারে, যারা টাকা পাঠাবেন তারা রিসিট নিয়ে বিমানবন্দরে এলে বিশেষ পরিবহনের (যেমন বিমানবন্দরে নামার সঙ্গে সঙ্গে দালালের খপ্পরে না পড়ে তারা খুব সহজেই তাদের গন্তব্যস্থলে যেতে পারবেন) ব্যবস্থা পাবেন। এটি সাধারণ ছোট পদক্ষেপ মনে হলেও এর ফলাফল বড় হতে পারে। এছাড়া আলাদা সার্টিফিকেট বা সংবর্ধনা দেয়া যা তাদের জন্য সামাজিক মর্যাদা নিয়ে আসতে পারে। তাদের সাশ্রয়ী আবাসন করে দিচ্ছি না কেন? তাদের কম দামে সরকারি জমি দেয়া বা বীমা করে দেয়া সম্ভব। পরিকল্পনামন্ত্রী সাম্প্রতিককালে এ ধরনের কিছু কথা বলেছেন। তবে এ বিষয়গুলো আরো আগে থেকেই ভাবা উচিত ছিল। আমাদের দেশের যে শ্রমিকরা বিদেশে যান তারা ভারত বা ফিলিপাইনের মতো উচ্চ শিক্ষিত বা দক্ষ নন। অদক্ষ শ্রমিক শ্রেণী হিসেবে তারা যান, তাদের ঠিকভাবে উদ্বুদ্ধ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি কাজগুলো দ্রুতগতিতে এগিয়ে আনতে হবে।
ব্যাংক ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় ২০২৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকা কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে কিছু রুলস আগেই দিয়ে রেখেছে, অন্যান্য ব্যাংক কেন তা মেনে চলে না? সংগঠিত সংস্থার অধীনে বিশেষ লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে একজন অসচেতন নাগরিকের মতো রাস্তা টপকানোর সিদ্ধান্ত নেয়া” বোকামি বৈ কিছু নয়। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকায় প্রশ্ন করার আগে ব্যাংকগুলো নিজের জায়গায় সচেতন পদক্ষেপ নিতে পারছে কিনা সেটা দেখা প্রয়োজন। ব্যাংকিং কমিটি, সরকার বা অর্ডিন্যান্স হিসেবে যা বলা হয়েছে তা কি ব্যাংকগুলো যথাযথ পরিপালন করছে?
ব্যাংক খাতে কী কী রূপান্তর দেখছেন? চ্যাট জিপিটি থেকে শুরু করে নানা প্রযুক্তি এসেছে, সামনের দিনগুলোয় কী কী ধরনের উদ্ভাবন আসতে পারে বলে মনে করেন?
আমার মনে হয় শাখাভিত্তিক ব্যাংকগুলো কমে যাবে। ব্যাংকগুলো শাখা খোলার যে অনুমতি এখন নিয়ে থাকে তা পরবর্তীকালে নেবে বলে মনে হয় না। এজেন্ট ব্যাংক, ব্যাংকের সাব-ব্রাঞ্চগুলো সামনের দিনগুলোয় আরো প্রযুক্তিনির্ভর হবে বলেই মনে হয়। ব্যাংকে গ্রাহক পরবর্তী সময়ে নাও যেতে পারেন, দেখা যাবে এলসি খুলতেও কেউ ব্যাংকে যাচ্ছেন না এবং বাসায় বসেই তা করতে পারছেন। এখনো লোকজন ব্যাংক শাখায় খুব বেশি যান না। আরেকটা জিনিস জরুরি, আমাদের ক্যাশের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। ধরা যাক, এ নির্ভরতা কমাতে নির্দেশনা জারি হলো ৫ লাখ টাকার ওপরে কোনো ক্যাশ লেনদেন হবে না এবং লেনদেন হতে হলে তা ব্যাংকের মাধ্যমে করতে হবে। ফলে স্বচ্ছতা থাকবে, মুদ্রা পাচার কমবে, কর আদায় বাড়বে। এটা একটি বৈপ্লবিক ব্যাপার হতে পারে। তবে আইনপ্রণেতারা এমন আইন করতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়। আইনপ্রণেতারাও ব্যবসায়ী, তারা তা হতে দেবে বলে মনে হয় না।
ডিজিটাল ব্যাংক খাতে আসলে আমাদের সম্ভাবনা ও ঝুঁকি কী কী?
ডিজিটাল ব্যাংকের ধারণা এখনো অনেকের কাছে বিমূর্ত। পুরো বিষয়টি আসলে এতই প্রাথমিক পর্যায়ে আছে যে পুরো ফিচার ব্যবহার করে সফল হতে কত দিন লাগবে তা বুঝতে কিছুটা সময় লাগবে। যেমন ব্যাংক ইন্স্যুরেন্স আমাদের দেশে সম্প্রতি চালু করা হয়েছে এবং তা আদৌ সফল হবে কিনা তা সময় বলবে। অবকাঠামো, ইন্টারনেট গেটওয়ের সক্ষমতা ইত্যাদির ওপর কাজগুলো নির্ভর করবে। এই ডিজিটাল ব্যাংকের সফলতা নিয়ে বলতে হলে আমাদের আরো কিছুদিন সময় দিতে হবে।










