বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয়ের নাম অস্থির বাজার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি! নানাভাবে বিশেষায়িত করে নানাজন বাজারের সমালোচনায় ব্যস্ত! কোনো সমালোচনাই বাজারের গতি রোধ করতে পারছে না! সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ও সাধারণের আলোচনার বিষয় ছিল দ্রব্যমূল্য, মুদ্রাস্ফীতি এবং বাজারের অস্থিরতা। সাধারণের মধ্যে এমন আক্ষেপোক্তিও শোনা গিয়েছিল যে গণতন্ত্রের চেয়েও বেশি জরুরি বাজার নিয়ন্ত্রণ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল করা। বিগত সরকারের আমলে বাণিজ্যমন্ত্রীসহ দায়িত্বশীল অনেকেই উচ্চমূল্যের দ্রুতগতির অশ্বের গলায় লাগাম পরাতে সক্রিয় ও সচেষ্ট হওয়ার পরও বহুল কথিত ‘সিন্ডিকেট’ ভাঙতে পারেননি। তাদের ব্যর্থ চোখে ধুলো ছিটিয়ে বাজারের কারবারিরা আরো মরিয়া হয়ে উঠেছেন! অনিয়ন্ত্রিত বাজার যেন দ্রুতগতির অশ্বকেও পেছনে ফেলে ছুটতে শুরু করেছে! তাই ভরা মৌসুমেও নিত্যপণ্যের বাজারে যেতে আমাদের মধ্যে এক ধরনের বিবমিষার সৃষ্টি হয়, সৃষ্টি হয় নাভিশ্বাস ও আতঙ্ক! বাজার সম্পর্কে সাধারণের মনে সৃষ্ট এরূপ নাভিশ্বাস দিন দিন বেড়েই চলছে!
বিশ্বব্যাপী সীমাহীন এক অস্থিরতার মধ্যে আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থ মেয়াদে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়েছে মাসখানেক হলো। এসব অস্থিরতার মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন এবং ফিলিস্তিন-ইসরাইলের উত্তপ্ত পরিস্থিতিই অনেকটা প্রকট আকারে জনসমক্ষে প্রতীয়মান। আর প্রচ্ছন্নভাবে বহু দেশের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ বিশ্বব্যাপী বাজার ব্যবস্থাকে প্রতিনিয়ত অস্থির ও চঞ্চল করে তুলছে। উপরন্তু ডলার সংকটও সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক গতি সঞ্চার করছে। আমরা লক্ষ করছি, এসব কারণে অনেক দেশেই বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন নির্বাহে ত্রাহি অবস্থাও সৃষ্টি করেছে। বর্তমান সরকার বাজার ব্যবস্থাপনায় নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। এতে একদিকে আশায় বুক বাঁধলেও অন্যদিকে আবার ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের অসাধু অভিপ্রায় এবং বহুল কথিত ‘সিন্ডিকেটে’র দাপুটে পারফরম্যান্সের সামনে আমাদের মনে সন্দেহও কম জাগ্রত হয় না! সব মিলিয়ে বাজারভীতি আমাদের নিত্যসঙ্গী হয়ে আছে।
বর্তমান সরকার প্রায় এক মাস ধরে বাজার নিয়ন্ত্রণ বিশেষত নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সেসব তৎপরতা বা অভিযান বাজারকে প্রভাবিত করতে পারছে বলে এখনো অনুভূত হয়নি। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে খাদ্যমন্ত্রী এবং বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী সর্বদাই তাদের নিজ নিজ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। কিন্তু মূল্য পরিস্থিতি ভোক্তার কাঙ্ক্ষিত নাগালের কাছে-মধ্যেই আসছে না! ভরা মৌসুমের মধ্যে একদিকে চালের ঊর্ধ্বমূল্য, অন্যদিকে শীতকালীন শাক-সবজির ভালো উৎপাদনের মধ্যে এসবের মূল্য সাধারণের ক্রয়-ক্ষমতাকে সদম্ভে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে যাচ্ছে! এ অবস্থার মধ্যে আসন্ন রমজান মাসের সম্ভাব্য সংকটের কথা চিন্তা করে সাধারণের মধ্যে দিশাহারা মনোভাবের সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য আমদানির ওপর সরকার ৫ শতাংশ রাজস্ব কর হ্রাস করেছে। এতে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা থেকে সাময়িকভাবে আমরা কিছুটা স্বস্তি লাভ করেছি। কিন্তু আমাদের এ স্বস্তি শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের নানা ছলাকলা ও কারসাজির কারণে অস্বস্তিতে পরিণত হয় কিনা রমজান মাস এলেই তা পরিষ্কার বুঝতে পারব। আপাতত আশায় বাঁচি, আশা না থাকলে বাঁচা কঠিন! সাধারণ মানুষ নানাভাবে আশায় বুক বেঁধে এবং এক ধরনের চাপা অস্বস্তি নিয়ে টিকে আছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের কথিত সিন্ডিকেট কর্তৃক দ্রব্যমূল্যের অনিয়ন্ত্রিত চক্রপ্রবাহের মধ্যে পড়ে সাধারণের স্বস্তিও দুর্লভ বস্তুতে পরিণত হয়েছে! ভরসা একটাই, এবার অন্তত সরকার বাজার পরিস্থিতি নিয়ে যে উদ্বিগ্ন তা নিজেই স্পষ্ট করেছে। সম্প্রতি সড়কপথ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ‘বিএনপির আন্দোলন নয়, বরং বাজার নিয়ে চিন্তিত’ এমন বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীনতা স্বীকার করেছেন।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য বাজার শব্দটি নিয়েই বিরাট অস্বস্তি আমাদের। আসন্ন রমজান আমাদের সামনে বাজারকে তীব্র রকমের অস্বস্তিকর করে তুলবে বলে সবার আশঙ্কা। এরই মধ্যে ছোলা ও খেজুরজাতীয় খাদ্যপণ্যের ওপর রমজানের আবহ শুরু হয়ে গেছে! বিভিন্ন খাদ্যপণ্য আমদানির ওপর সরকার কর হ্রাস করলেও ডলারের মূল্যের অজুহাতে সেসব পণ্যের মূল্যহ্রাস তো দূরের কথা স্থিতিশীলই থাকছে না। বরং রমজানের সময় যেসব পণ্যের ব্যাপক চাহিদা তার দাম আগেই সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে সাধারণের মধ্যে কেবল অস্বস্তি নয়, সীমাহীন আতঙ্কও ঘুরপাক খাচ্ছে!
গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে একটি বিষয় স্পষ্ট উপলব্ধি সম্ভব যে সব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি কেবল ডলারের দামের জন্য ঘটে না। ব্যবসায়ীদের অতিমুনাফা লাভের মানসিকতাও পণ্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে নির্লোভ মানসিকতা সৃষ্টি না হলে কেবল সরকারের তদারকিতে বাজার স্থিতিশীল করা কখনই সম্ভব নয়। নানা নামের অভিযান চালিয়ে বাজার তল্লাশি করেও দীর্ঘস্থায়ী কোনো সুফল পাওয়া যাবে না। আমরা দেখেছি, বাজারে প্রচুর পণ্যসামগ্রী মজুদ থাকার পরও বিভিন্ন সময়ে ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মাধ্যমে মূল্যবৃদ্ধি করে সাধারণের ভোগান্তি বাড়িয়ে দেয়। নিকট সম্প্রতি দেখা গেছে, ভারত কোনো কারণে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি সাময়িক স্থগিতের ঘোষণা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের বাজার অস্থির হয়ে পড়েছিল। মুহূর্তেই পেঁয়াজের দাম দু-তিন গুণ বেড়ে গিয়েছিল! একইভাবে চলতি ভরা মৌসুমে আলুর দাম যখন সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছিল তখন আলু আমদানির সরকারি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আলুর দাম অর্ধেকে নেমে আসতে শুরু করে! এর অর্থ কী? এমন ঘটনা কোনোক্রমেই স্বচ্ছ বাজার ব্যবস্থাপনার ইঙ্গিত দেয় না, কোনোভাবেই ব্যবসায়ীদের সাধুতাও প্রকাশ করে না। বরং ব্যবসায়ীদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার কাছেই যে এ দেশের মানুষের ভাগ্যের চাকা বাঁধা, জীবনযাপনের নিয়তি নির্দিষ্ট সেটাই প্রমাণ করে! রমজান মাসে পৃথিবীর সব মুসলিম দেশেই ব্যবসায়ীরা ভোক্তাদের জন্য নানা ‘মূল্যছাড়’ ও পণ্যের সঙ্গে ‘শুভেচ্ছা উপহার’ দিলেও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় সেখানে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যতিক্রম! এ দেশের ব্যবসায়ীরা যেন সারা বছর ‘খদ্দের ধরার’ জন্য, তাদের নানা ফন্দি-ফিকিরে ঠকানোর জন্য ওত পেতে বসে থাকেন! বসে থাকেন কীভাবে কেবল লাভের ওপর লাভ করে বিত্তশালী হতে পারেন সেই ধান্ধায়!
আওয়ামী লীগের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন আর কোনো রাজনৈতিক দল নয়, বড় চ্যালেঞ্জ ‘বাজার’ তথা ব্যবসায়ীরা। অর্থাৎ বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরন ও শ্রেণীর ব্যবসায়ীরাই আওয়ামী লীগ তথা বর্তমান সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। সরকার ব্যবসায়ী শ্রেণীকে কতটা মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে জানি না। আমরা দেখছি, ছোট-বড়-মাঝারি সব আকৃতির ব্যবসায়ীরাই বাজারকে নানাভাবে অস্থির করে তুলছেন! তাদের নানা কৌশল-অপকৌশলের শিকারে পরিণত এ দেশের সাধারণ মানুষ। এও আমরা দেখছি যে বারবার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েও সরকার তা রক্ষা করতে না পারায় প্রায়ই বিব্রত বোধ করছে!
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে আমরা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে বারবার সামনে আনি, সামনে আনি সাম্প্রতিককালের ইসরায়েল-ফিলিস্তিন প্রসঙ্গও। কিন্তু দেশের ভেতরকার কালোবাজারি, মজুদদারদের প্রসঙ্গ ঠিকমতো জনসমক্ষে আনতে পারি না। গণমাধ্যমও ব্যবসায়ীদের প্রকৃত চেহারা সাধারণের কাছে উন্মোচন করে না। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে সক্রিয় ‘সিন্ডিকেট’কেই এখনো কেউ শনাক্ত করতে পারেনি! অথচ বারবার বহুল কথিত, বহুল চর্চিত, বহুল ব্যবহৃত ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি ভোক্তাদের কাছে এক ভয়ংকর আতঙ্ক হিসেবে পরিচিত।
আমরা দেখেছি, দেশের সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীরা যাদের সুনাম কেবল জাতীয় নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিস্তৃত তারাও বাজারকে অস্থির করার অপপ্রয়াস চালান। বিপুল পরিমাণ চাল অনৈতিকভাবে মজুদের জন্য গত বছর স্কয়ার গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে সরকার। মহামান্য উচ্চ আদালত থেকে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধারকে ‘আগাম জামিন’ নিতেও দেখেছি। স্কয়ারের মতো স্বনামধন্য অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়ে পড়ে তখন আমাদের হতাশা বোধের আর শেষ থাকে না! সাধারণকে হতাশই হতে হয়, সাধারণকে কেবল দীর্ঘশ্বাসই ফেলতে হয়। বলাবাহুল্য, সে দীর্ঘশ্বাস অনেক গভীর ও যন্ত্রণাক্লিষ্ট!
দুঃখজনক যে বড় বড় ব্যবসায়ী ও তাদের প্রতিষ্ঠানের প্রভাব-প্রতিপত্তি, বিত্তবৈভব এতটাই সুদূর ও বিপুল যে সাধারণের পক্ষে এমনকি সাধারণ মানের গণমাধ্যমের পক্ষেও তাদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র ‘খবর’ প্রকাশের সাহস রাখে না! রাজনৈতিক কোনো সংকট রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা সম্ভব। কিন্তু শক্তিধর ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক বুদ্ধি ও ব্যবসায়িক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা সম্ভবত রাজনীতির চেয়েও কঠিন। স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন বিরূপ আচরণ তথা ব্যবসায়ী সমাজকে মোকাবেলায় বর্তমান সরকার দক্ষতার পরিচয় দেবে এমনটাই সাধারণের প্রত্যাশা। এ বিষয়ে সরকারকেও কৌশলী হতে হবে। সাধারণের কথা সরকারকেই চিন্তা করতে হবে সবার আগে। এককালের ‘গরিবের দল’ হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগকে কৌশলের মাধ্যমেই এগোতে হবে।
এ কথা অনেকেই স্বীকার করেন যে ব্যবসায়ীদের সক্রিয় সিন্ডিকেটের কারণেই বাজার অস্থির হয়। সেই অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে আবার একটি পক্ষ প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে নিজেদের পক্ষে জনমত তৈরিরও প্রয়াস চালায়। বর্তমান সরকারের নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেকে সাধারণের দৃষ্টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার বিভিন্ন অপপ্রয়াস চালাতেও তারা তৎপর হয়। সরকারের বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের সাফল্য সাধারণের কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনেও একটি গোষ্ঠী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। নানা উসিলায় ব্যবসায়ীদের একটি গোষ্ঠী বাজারকে অস্থির করার মাধ্যমে কি সরকারকে ব্যতিব্যস্ত রাখার অপচেষ্টায় মগ্ন? নাকি কেবলই মুনাফার লোভে? তাও খুঁজে বের করতে হবে। টানা প্রায় আড়াই বছর করোনা মহামারীর তাণ্ডব শেষে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ববাজারকেও অস্থির করে তুলেছিল। সেই অস্থির বিশ্ববাজার থেকে বাংলাদেশকেও উচ্চমূল্যে পণ্য আমদানি করতে হয়। তার ধারাবাহিকতায় কিছু কিছু পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতাকে আমরা স্বাভাবিক বলে মেনেও নিয়েছিলাম। কিন্তু তাই বলে চালের মৌসুমে চালের সংকটকে আমরা মেনে নিতে পারি না। মেনে নিতে পারি না পেঁয়াজ, আলুসহ যাবতীয় সবজির উচ্চমূল্যও। চালের বর্তমান মূল্য কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়। কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে উৎপাদন প্রচুর, খাদ্য মন্ত্রণালয় বলছে মজুদও প্রচুর। তাহলে কোনো মহল সরকারকে সাধারণের কাছে বৈরীরূপে প্রতিপন্নের প্রয়াস পাচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা দরকার। সাধারণকে জীবনযাপনের নাভিশ্বাস থেকে মুক্ত করার জন্য সরকারকেই কৌশলী ভূমিকা রাখতে হবে। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন সহনীয় রাখতে হলে বাজারের লাগাম টানতেই হবে।
ড. আহমেদ আমিনুল ইসলাম: অধ্যাপক, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।










