উড়োজাহাজে ভ্রমনের সময় মোবাইল ফোনের
নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। কারণ হিসেবে বলা হয়, মোবাইল নেটওয়ার্ক বিদ্যমান থাকলে ফ্লাইটের
সিগনাল জনিত সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এর ফলে উড়োজাহাজ নির্দিষ্ট রুট থেকে চ্যুতও
হতে পারে। ঘটতে পারে বড় কোনো দুর্ঘটনা।
অনেক সময় খোদ বিমানবন্দরে নেটওয়ার্ক
পাওয়া যায় না। এর কারণ হতে পারে, কাছাকাছি টাওয়ার থেকে দূরত্ব। যার ফলে অনেক সময় মোবাইলে
নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। এর পেছনে রয়েছে এয়ারপোর্টের কাছে টাওয়ার স্থাপনে বিধি-নিষেধ।
সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, বিমানবন্দরের
কাছে মোবাইল টাওয়ার থাকলে উড়োজাহাজ অবতরণের সিগনালে সমস্যা সৃষ্টি হয়। তাই বলে কি যাত্রীরা
মোবাইল ব্যবহার করেন না? এর সমাধানও আছে। বেশির ভাগ বিমানবন্দরে আভ্যন্তরীণ রিপিটার
অ্যান্টেনা রাখা হয়। এর মাধ্যমে কাছের টাওয়ারের নেটওয়ার্ক নির্দিষ্ট একটি এলাকায় বিবর্ধিত
করা হয়।
এছাড়া অনবোর্ড থাকাকালে মোবাইল ব্যবহারে
বিধিনিষেধ থাকে। তাই উড়োজাহাজে যাত্রীদের মোবাইল ফ্লাইট মোড নিতে বলা হয়।
মোবাইল নেটওয়ার্ক ও উড়োজাহাজের ফুয়েল
জড়িয়ে একটি মিথ চালু রয়েছে। যেখানে ধারণা করা হয়, এয়ারক্রাফটের পাশে মোবাইল ফোনে কথা
বললেও অগ্নিকাণ্ডের সম্ভবনা থাকে। তবে অনেকেই জানেন না, এ ধরনের দাবির কোনো সত্যতা
নেই। এয়ারক্রাফটে বসে মোবাইলে কথা বলায় অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা একদমই নেই। বরং দুর্ঘটনা
এড়ানোর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকে।
মোবাইল ব্যবহার ছাড়া ক্ষেত্র বিশেষে
বিভিন্ন বিমানবন্দরে রয়েছে বিভিন্ন নিয়ম। কিছুটা অবাক করলেও এটা সত্যি যে কোনো কোনো
বিমানবন্দরে ছবি তোলাও সম্পূর্ণ ‘নিষিদ্ধ’। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের
টুইন টাওয়ার হামলার পর অস্ট্রেলিয়ার বিমানবন্দরে এমন নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। তারা এ ব্যাপারে
এতই কড়া যে কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করতে চাইলে তাকে টার্মিনালে ঢুকতে বাধা দেয়া হয়।










