এনসেফালাইটিস হলো মস্তিষ্কের প্রদাহ। সব বয়সের মানুষই এ ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে ক্ষতির পরিমাণ একেকজনের বেলায় একেক ধরনের। জীবাণুর ক্ষতিসাধন ক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল এনসেফালাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির পুরোপুরি সুস্থ হতে বেশ কয়েক দিন সময় লাগে। তবে সুস্থ হওয়ার পরও রোগীকে বেশকিছু দিক থেকে সচেতন থাকতে হয়।  

•  নিজের যত্ন নেয়া: এনসেফালাইটিস কাটিয়ে ওঠার পর আক্রান্ত ব্যক্তি কয়েক মাস খুব ক্লান্ত বোধ করে। যার কারণে তাকে শারীরিক পরিশ্রম হয় এমন কার্যকলাপ থেকে বিরতি নেয়ার প্রয়োজন হয়।  

•  পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশ্রাম নেয়া: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া। ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল জাতীয় পণ্য পরিত্যাগ করা। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো। 

•  স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা বজায় রাখা: খাদ্যতালিকায় চর্বিহীন প্রোটিন, শস্যদানা, শাকসবজি ও ফল রাখা।

•  ব্যায়াম করা: নিয়মিত ব্যায়াম এনসেফালাইটিস থেকে দীর্ঘ পুনরুদ্ধারের প্রতিবন্ধকতাগুলো মোকাবেলা করতে সাহায্য করতে পারে।

•  শরীর খারাপ হলে পুনরায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া: আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থ হওয়ার পরও কোনো সমস্যায় পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে কিছু দিক লক্ষ রাখা উচিত। যেমন বিভ্রম সমস্যা, কথা বলতে সমস্যা, হাত বা পা নাড়াতে অসুবিধা—এ ধরনরে লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। 

এনসেফালাইটিস একটি গুরুতর রোগ, যা, দীর্ঘমেয়াদি পরিণতি হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি পুরোপুরি সুস্থ হতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেই ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করেন যে তিনি সুস্থ হচ্ছে। 

সূত্র: ক্লিভল্যান্ডক্লিনিক