দক্ষিণ ভেনেজুয়েলার এল কালাও শহরে একটি স্বর্ণখনি ধসে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। টানা ভারি বৃষ্টির পর সোমবার সকালে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ৮৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে কুয়াত্রো এসকিনাস দে কারাতাল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর এপি।
বলিভার অঙ্গরাজ্যের দুর্যোগ মূল্যায়ন কার্যক্রমের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গ্রেগরি গনজালেস আসেভেদোর নেতৃত্বে একটি কমান্ড পোস্ট গঠন করা হয়েছে। সেখান থেকে জীবিতদের উদ্ধার অভিযান ও মরদেহ উদ্ধারের কাজ চলছে।
দেশটির সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, খনির তিনটি আলাদা শ্যাফটে (গহ্বর) এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
উদ্ধারকর্মীরা জানিয়েছেন, ভারি বৃষ্টির কারণে বন্যার পানি খনির ভেতরে ঢুকে পড়েছে। এতে খনির উপরের বা ছাদের অংশ ধসে পড়ায় শ্রমিকরা ভেতরে আটকে পড়েছেন। ফায়ার সার্ভিস প্রথমে খনির পানি পাম্প করে বের করার কাজ শুরু করেছে, যাতে আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধার করা যায়।
এল কালাও ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, খনির অন্য শ্রমিকদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে মৃতের এ সংখ্যা জানা গেছে। অনেকেই এখনো নিখোঁজ বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে ‘রাভিন’ নামে পরিচিত এসব খনিতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। শহরটির প্রায় ৩০ হাজার মানুষের জীবিকা এ স্বর্ণখনির সঙ্গে যুক্ত। কেউ সরাসরি খনিতে কাজ করেন, কেউ খনি-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় জড়িত।
ভেনেজুয়েলায় স্বর্ণ, তামা, হীরা ও অন্য ধাতুর খনি রয়েছে। এসব খনিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল এবং খনিগুলো প্রায় নিয়ন্ত্রণহীনভাবে পরিচালিত হয়। তাই এ ধরনের দুর্ঘটনা সেখানে প্রায়ই ঘটে।
সরকার জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান। পানি সরানোর পর আটকে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারে পূর্ণ প্রচেষ্টা নেয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত আর কোনো তথ্য জানানো হয়নি।










