ঈদে কি
শুধু নিজেকে
সাজালেই হবে?
সেই সঙ্গে
ঘরবাড়িও তো
সাজাতে হবে?
ঈদের মৌসুমে
বাড়ির সাজ
উৎসবমুখর করতে
অনেকেই নতুন
ডিজাইনের আসবাবপত্র
কেনার দিকে
নজর দেন।
বাজার ঘুরলেই
পাবেন নিত্যনতুন
ডিজাইনের সব
আসবাবপত্র। সেখান
থেকে বেছে
নিতে পারেন
নিজের পছন্দমতো।
ঈদে ঘর
সাজানোর জন্য
হাতিলে পাবেন
নতুন ডিজাইনের
সব ফার্নিচার।
খাট থেকে
শুরু করে
ড্রেসিং টেবিল
সবই পাবেন
এখানে। রয়েছে
নতুন নতুন
ডিজাইনের ডাইনিং
টেবিলও। সেখান
থেকে বেছে
নিতে পারবেন
নিজের মন
মতো।
বসার ঘরটা
সাজাতে হাতিলের
বিভিন্ন ডিজাইন
থেকে বেছে
নিতে পারেন
পছন্দসই সোফা।
সেখানে যেমন
কাঠের সোফা
পাবেন, তেমনই
লেদারের বা
রেক্সিনের সোফাও
পাবেন। প্রতিটির
দাম ভিন্ন
ভিন্ন। শোয়ার
ঘরের জন্যও
পাবেন নানা
ডিজাইনের নিত্যনতুন
বিছানা। এসবের
দামও থাকবে
বিভিন্ন রেঞ্জে।
তার মধ্য
থেকে সাধ্য
অনুযায়ী পছন্দসই
পণ্য বেছে
নিতে পারলেই
আপনি সাজিয়ে
ফেলতে পারবেন
নিজের ঘরখানা।
তাদের সংগ্রহে
টিভি কেবিনেট,
সোফা, ডাইনিং
চেয়ার, ডিনার
ওয়াগন থেকে
শুরু করে
সবকিছুই পাবেন
হাতের নাগালে।
বেড সাইড
টেবিল, রিডিং
টেবিলও পাবেন
হাতিলের সংগ্রহে।
পারটেক্স ফার্নিচারেও
পাবেন নানা
ডিজাইনের ঘর
সাজানোর আসবাব।
আসন্ন ঈদ
উপলক্ষে এসব
পণ্যে ছাড়ও
পাবেন বেশ
খানিকটা। বসার
ঘর, শোয়ার
ঘর বা
পড়ার ঘর
সাজানোর মতো
নানা পণ্য
পাবেন পারটেক্সে।
ঈদ উপলক্ষে
সেখানে ১৫
শতাংশ ছাড়ও
দেখা হয়েছে
গ্রাহকদের জন্য।
ফলে সবাই
পছন্দের পণ্যটি
পাবেন আরো
কম খরচে।
বাসা হোক
বা অফিস,
পারটেক্সের আসবাবে
সেটা গুছিয়ে
তুলতে পারবেন
নতুন করে।
পশ ফার্নিচার
অ্যান্ড ইন্টেরিয়র
লিমিটেডে পাবেন
মনের মতো
ডিজাইনের সব
আসবাব। বাসা
থেকে শুরু
করে অফিস
পর্যন্ত সব
ধরনের আসবাব
পাবেন এ
প্রতিষ্ঠানের সংগ্রহে।
সেখান থেকে
নিজের পছন্দসই
পণ্য বেছে
নিলেই হবে।
দেশের বেশকিছু
জায়গায় এরই
মধ্যে আসবাবপত্র
সরবরাহ করে
বেশ সুনাম
অর্জন করেছে
প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটি
বিশেষত কাজ
করে করপোরেট
সব আসবাব
নিয়ে। পাশাপাশি
বাসার কিছু
আসবাবও পাবেন
তাদের সংগ্রহে।
পশ ফার্নিচার
অ্যান্ড ইন্টেরিয়র
লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক মো.
সিরাজুল ইসলাম
বলেন, ‘বাজারে
আমরা সুপরিচিত
সব প্রতিষ্ঠানের
সঙ্গে প্রতিযোগিতা
করি। তাই
তাদের গুণগত
মানের সঙ্গে
মিলিয়ে আমরা
নিজেদের সব
পণ্যে গুণগত
মান নিশ্চিত
করি।’
আসবাবপত্রের গুণগত
মান নিয়ন্ত্রণে
বেশকিছু পদক্ষেপ
গ্রহণ করেছে
প্রতিষ্ঠানটি। সিরাজুল
ইসলাম বলেন,
‘আমাদের
নিজস্ব উড
ট্রিটমেন্ট প্লান্ট
আছে। ফলে
কাঠের গুণগত
মান আমরা
ঠিক রাখতে
পারি। আসবাবপত্র
জগতের যেকোনো
আসবাব আমরা
ম্যানুফ্যাকচার করতে
সক্ষম। অফিস
হোক, বাসা
হোক, হোম
আইটেম ফার্নিচার
হোক, আউটডোর—সবটাই
আমরা সাজিয়ে
নিতে সক্ষম।
সুদক্ষ কর্মকর্তা
ও কর্মচারী
দিয়েই আমাদের
আসবাবগুলো তৈরি
করি। পাশাপাশি
আমাদের নিজস্ব
কিউসি ডিপার্টমেন্ট
আছে। তারা
প্রডাক্ট কোয়ালিটি
চেক করে
দেন। বড়
বড় কোম্পানি
থেকে অভিজ্ঞতাপ্রাপ্ত
টেকনিশিয়ান আমাদের
সঙ্গে আছেন।
ফলে মান
নিয়ন্ত্রণে আমরা
আরো বেশি
সুদক্ষতার পরিচয়
দেই।’
এখন পর্যন্ত
কোনো গ্রাহক
পশ ফার্নিচারের
পণ্য নিয়ে
খারাপ মন্তব্য
করেনি বলেই
দাবি প্রতিষ্ঠানটির।
যার অর্থ
দাঁড়ায় তারা
পণ্যের মান
বজায় রাখতে
সক্ষম হয়েছেন।
এ আসবাবপত্র
বিক্রয় কেন্দ্র
থেকে আসবাব
পাবেন অনেক
কম খরচে।
সিরাজুল ইসলাম
বলেন, ‘দামের
কথা বলতে
গেলে বলতে
হয়, আমাদের
আসবাবের দাম
অবশ্যই তুলনামূলকভাবে
কম। অন্যান্য
প্রতিষ্ঠান যে
উপাদান ব্যবহার
করে আমরাও
সেসব উপাদান
ব্যবহার করি।
তার পরও
আমাদের দাম
কম হওয়ার
কারণ, আমরা
সোর্সিং আরো
ভেতর থেকে
করতে চাই।
আমাদের উপাদান
যত পারি
কম দামে
কেনার চেষ্টা
করি। যেন
বিভিন্ন আসবাবের
দাম হাতের
নাগালে রাখতে
পারি। অন্যরা
যেখান থেকে
কাঁচামাল সংগ্রহ
করে, আমরা
তার থেকে
আরো রুট
লেভেলে গিয়ে
কাঁচামাল সংগ্রহ
করি। সেজন্য
গ্রাহকদের কাছে
কম দামে
আমরা পণ্য
পৌঁছে দিতে
পারি।’
সম্প্রতি পশ ফার্নিচার অ্যান্ড ইন্টেরিয়র লিমিটেডে নতুন সংযোজন হয়েছে হোম অ্যাপ্লায়েন্স। সেখান থেকে অনায়াসে বেছে নিতে পারবেন নিজের পছন্দসই পণ্যটি।





