আশা করছি, বাকি দিনগুলোর মধ্যেই আমরা বাকি ৪০ শতাংশ কাজও শেষ করব। আমাদের কাজ গতানুগতিক ধারায় হচ্ছে না।

মন্ত্রণালয় থেকে আমরা একটি টাস্কফোর্স করে দিয়েছি। মাসে দুইবার সেখানে রিপোর্ট নিই। কাজ কতটুকু এগিয়েছে সে বিষয়ে তদারক করা হয়।

খাল বা নদী খননের বড় সমস্যা হল, খননের পর মাটি নদীর পারে বা খাল পারে ফেলা যাবে না। সেটা কোনো স্কুল-কলেজ, মসজিদ ও মাদরাসায় দান করতে হবে অথবা দূরে ফেলতে হবে।

যেন বৃষ্টি বা বন্যা হলে খাল-নদী পুনরায় ভরাট হয়ে না যায়।