গণমাধ্যম কমিশন গঠন করার ক্ষেত্রে আমাদের যে প্রতিশ্রুতি ছিল এবং গণমাধ্যম জগতের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা, পাশাপাশি দেশবাসীরও আকাঙ্ক্ষা—সেটা পূরণ করার জন্য আমরা একটি ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরির কাজ শুরু করেছি। এ কাজে আমরা সব অংশীদারদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি প্রক্রিয়া তৈরি করছি। কাজটি আমরা প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। আশা করছি, আগামী দুই-এক মাসের মধ্যেই আমরা এটি বাস্তবায়নের দিকে যেতে পারব।
বিজ্ঞাপন ও ক্রোড়পত্র বণ্টনের ক্ষেত্রে যেসব অসংগতি বা গোঁজামিলের পরিস্থিতি ছিল, সেগুলো নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা একটি নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু করেছি। এজন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
টেলিভিশনগুলোতে যে টিআরপি (TRP) ব্যবস্থা আছে, সেটি বর্তমানে অসম্পূর্ণ একটি পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে চলছে, যেখানে একটি নির্দিষ্ট বক্স বা বৈজ্ঞানিকভাবে যাচাই করা পূর্ণাঙ্গ সিস্টেম নেই। আমরা চাই, দেশের প্রতিটি টেলিভিশনের জন্য একটি আধুনিক ডিজিটাল রিডিং সিস্টেম বা সেট-টপ বক্সভিত্তিক নির্ভরযোগ্য মাপজোকের ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক। সেই কাজেও আমরা হাত দিয়েছি।
বিটিভি-রেডিওসহ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমগুলোকে আধুনিকীকরণের জন্য আমরা কিছু কনসালট্যান্ট নিয়োগের চেষ্টা করছি। আরেকটি বিষয় হলো নিউ মিডিয়া। আগে এটি আমাদের কাজের অন্তর্ভুক্ত ছিল না, এখন সেটিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সেখানে তথ্য মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা কী হবে, সেটি নির্ধারণ করতে হচ্ছে এবং এ নিয়ে নীতিমালা ও গবেষণার কাজ চলছে।
আমাদের সব বিষয় নীতিসংশ্লিষ্ট। সব মিলিয়ে আমরা আশা করছি, আরো কিছুটা সময় লাগবে। কাজগুলো সম্পন্ন হলে সময়োপযোগী নীতির ভিত্তিতে একটি আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনার কাঠামোর মধ্যে আমরা প্রবেশ করতে পারব। গত ১০০ দিনে আমরা এ কাজগুলোতে সন্তোষজনক অগ্রগতি অর্জন করেছি।










