প্রায় ১৮ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো গত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কোনো শ্রমিককে হাহাকার করতে হয়নি। শ্রমিক, মালিক, সরকার ও অংশীজনের সঙ্গে সমন্বিত আলোচনার ভিত্তিতে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংকিং সহায়তা প্রদান করে নিশ্চিত করা হয়েছে, সব শিল্প-কারখানার শ্রমিকদের ঈদের আগেই তাদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা পরিশোধ করা হয়েছে।
- দীর্ঘদিন পর আবারো খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। দুই দেশের অভূতপূর্ব যৌথ বিবৃতিতে উঠে এসেছে অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও প্রবাসীদের জনকল্যাণ।
- বিকল্প শ্রমবাজার খুঁজতে ইউরোপের সাতটি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। দেশগুলো হলো সার্বিয়া, গ্রিস, নর্থ মেসিডোনিয়া, রোমানিয়া, পর্তুগাল, ব্রাজিল, রাশিয়া।
- দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর অংশ হিসেবে সরকার বিদেশে অধিকসংখ্যক জনশক্তি রফতানির উদ্যোগ নিয়েছে। দক্ষ এবং আধা দক্ষ জনশক্তি রফতানির ওপর গুরুত্ব প্রদান করে অভিবাসনের পরিমাণ এবং গুণ-মান উভয়ই বাড়ানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। এই লক্ষ্যে দেশজুড়ে টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার ও কারিগরি শিক্ষায় বহুভাষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির কারিকুলামে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
- উত্তরবঙ্গকে এগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির হাব বা প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
- পে-পাল ও অন্যান্য পেমেন্ট গেটওয়ে কার্যক্রম বাংলাদেশে শুরুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।










