সেই জায়গা থেকে নির্বাচনের পর এ তিন মাসে আমাদের মন্ত্রণালয়ের কাজকে অন্য উন্নয়ন প্রকল্পের মতো দৃশ্যমানভাবে দেখানো কঠিন।
কারণ আমাদের কাজ মূলত বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সমন্বয় ও আলোচনানির্ভর। অনেক ক্ষেত্রে কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে একটি বৈঠক ঠিক করতেও অফিশিয়াল ফরম্যাটে চিঠি চালাচালি করে এক থেকে দেড় মাস লাগে। এরপর আলোচনা হয়, সিদ্ধান্ত আসে।
সে জায়গা থেকে এখনই বড় ধরনের দৃশ্যমান পরিবর্তনের কথা বলা কঠিন। তবে যেটুকু হয়েছে আমি মনে করি প্রত্যাশার তুলনায় খারাপ হয়নি।
দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই আমরা অভিবাসন ব্যয় কমানোর বিষয়ে কাজ করছি। বিভিন্ন দেশের জন্য নির্দিষ্ট ব্যয় কাঠামো নির্ধারণে আলোচনা চলছে। প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা, তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস নিশ্চিত করার জন্য আমরা বেশকিছু পদক্ষেপ নিয়েছি।
দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠানোর জন্য আমাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে আরো সক্ষম করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেখানে প্রশিক্ষণ সুবিধা বাড়ানোর কাজ চলছে।
একই সঙ্গে যেসব শ্রমবাজার বন্ধ ছিল বা সংকুচিত হয়েছে, সেগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। বিশেষ করে মালয়েশিয়া ও ওমানের বিষয়ে অনেকখানি অগ্রগতি হয়েছে। বলা চলে, মালয়েশিয়ার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।
- সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে, যেখানে প্রবাসীদের জনকল্যাণ, দূতাবাস ও মিশনগুলোকে বাণিজ্যের প্রচার, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৈদেশিক জনশক্তি রফতানির সুযোগ তৈরি অন্যতম অগ্রাধিকার।










