পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মোট ৭২টি ধারার মধ্যে ৬৫টি ধারা এরই মধ্যে সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন হয়েছে, তিনটি আংশিকভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে এবং চারটি ধারা বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ভূমি জরিপ ও ব্যবস্থাপনা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
- বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সম্প্রতি প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় নৃগোষ্ঠী বিষয়ক একজন বিশেষ সহকারী নিয়োগ করা হয়েছে।
- অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায়গুলোর অংশগ্রহণকে নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বর্ধিত সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী, গ্রামীণ অবকাঠামো, ডিজিটাল সংযোগ ও জীবিকার বৈচিত্র্যায়ণের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও বৈষম্য হ্রাসের বিষয়ে বর্তমান সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
- বাংলাদেশের নৃতাত্ত্বিক সংস্কৃতি ও ভাষার বৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়ে বর্তমান সরকার নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায়ভুক্ত জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণে সরকারি বৃত্তি, বহুভাষিক ও ই-লার্নিং ব্যবস্থা, জেলা হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কমিউনিটি ক্লিনিক এবং মোবাইল মেডিকেল টিম ইত্যাদি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলা-সংক্রান্ত অন্যান্য কার্যক্রমের সঙ্গে বর্তমান সরকার এরই মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় ২০ লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।










