জ্বালানি সংকট সফলভাবে উত্তরণ
- মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে জ্বালানি সংকট সফলভাবে উত্তরণ করা এবং ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
- নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আমদানি নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক যোগাযোগসহ সরবরাহকারীদের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করা হয়েছে।
- মাঠ প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে মাঠ পর্যায়ে অসামঞ্জস্য দূরীকরণে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; বিভিন্ন পর্যায়ে মনিটরিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ মজুদ, পাচারসহ নানা ধরনের অপতৎপরতা রোধকল্পে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা হয়েছে।
- জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুদ সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে; আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে;
- বর্তমানে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।
- জ্বালানি সরবরাহে শৃঙ্খলা আনতে ফুয়েল কার্ড এরই মধ্যে চালু করা হয়েছে। বর্তমানে সারা দেশে মোট ৩ লাখ ৮৭ হাজার ২১১টি যানবাহন Fuel Pass সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়েছে। সারা দেশে মোট ২২৩টি ফিলিং স্টেশন এ কার্যক্রমের আওতায় এসেছে।
ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা
- দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির সক্ষমতা বাড়াতে এবং জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। ২০২৯ সালে দ্বিতীয় ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে। আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে আগামী মাসে।
বাংলাদেশের সমুদ্রাঞ্চাল তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের অগ্রগতি
- বাংলাদেশের সমুদ্রাঞ্চালে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এ লক্ষ্যে এরই মধ্যে ‘অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬’ ৭ মে অনুষ্ঠিত অর্থনেতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদিত হয়েছে। এ মাসের মধ্যেই অফশোর বিডিং রাউন্ড ঘোষণা করা হবে।
২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ (১০ হাজার মেগাওয়াট) নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ
- গত ৭ এপ্রিল সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জমি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারবিষয়ক গাইডলাইন, ২০২৬ চূড়ান্ত করা হয়েছে।
- বেসরকারি খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যে মোট ৪৯৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার মোট ১০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পিপিআর ২০২৫ অনুসরণে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
- ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
- সোনাগাজী, ফেনীতে ১০৯ দশমিক ৭৭ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে গত ২৮-০২-২০২৬ তারিখে IIFC কর্তৃক ড্রাফট Feasibility Report দাখিল করা হয়েছে।
- মাতারবাড়ীতে (১৩০+৩০০) = ৪৩০ মেগাওয়াট গ্রিড-টাইড সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পাদনের নিমিত্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।










