সব খেলার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পেশাগত স্বীকৃতি ও ক্রীড়া ভাতা কাঠামোর আওতায় আনয়নের লক্ষ্যে এ পর্যন্ত মোট ৩০০ ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা এবং ৩২৫ জনকে ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে।

  • ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে ১২-১৪ বছরের প্রতিভাবান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে তাদের মনোবল বৃদ্ধি এবং একই সঙ্গে প্রান্তিক পর্যায় থেকে ক্রীড়া প্রতিভাসম্পন্ন খেলোয়াড়দের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে দেশব্যাপী একযোগে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ কর্মসূচিতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার অন্তর্ভুক্ত।
  • খেলাধুলার মানোন্নয়নের জন্য ক্রীড়ায় অগ্রবর্তী দেশ/আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং পিপল-টু-পিপল সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি’কে জোরদার করার লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ে ‘স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি’ নামে একটি পৃথক সেল গঠন করা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের চীন, তুরস্ক সফরকালে স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়।
  • সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গত ১২ মার্চ প্রজ্ঞাপন মোতাবেক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির ১৪ মার্চের সভায় যেসব উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হয়েছে সেসব উপজেলা ব্যতীত অন্য প্রতি উপজেলায় ১০ বিঘা ও প্রতি ইউনিয়নে আট বিঘা জমি খেলার মাঠ হিসেবে অধিগ্রহণ এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রতি দু-তিনটি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে একটি মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
  • চতুর্থ শ্রেণী থেকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের ডিও পত্র দেয়া হয়েছে।
  • দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রযুক্তিনির্ভর সমন্বিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্প চলমান রয়েছে। প্রকল্পটির মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৭৬৫টি বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে; সারা দেশে গ্রামীণ বাড়িতে বাড়িতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে খামার স্থাপন ও বায়োগ্যাস প্লান্ট নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।