আমরা পরিষ্কারভাবে বলেছি—‘সবার আগে বাংলাদেশ’। কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে নয়, বরং সব দেশের সঙ্গে মর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাই। বাংলাদেশ মেরুদণ্ড সোজা করে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চায়।

এ সময়ে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, রফতানি বাজার বাড়ানো এবং প্রবাসী শ্রমবাজার সুরক্ষার বিষয়ে কাজ হয়েছে। চীনসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আরো সক্রিয়, বাস্তবমুখী ও অর্থনৈতিক কূটনীতিনির্ভর করার চেষ্টা চলছে। আমরা মনে করি, কূটনীতির সুফল সাধারণ মানুষের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে প্রতিফলিত হওয়া উচিত। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও আমরা স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ম্যানিফেস্টোর আলোকে কাজ করছে। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, স্পোর্টস ও কালচারাল ডিপ্লোমেসি নিয়েও গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। আমার মরক্কো সফর ছিল। সেখানে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ-মরক্কো বিজনেস-টু-বিজনেস (বিটুবি) প্লাটফর্ম উদ্বোধন করে এসেছি। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে আমাদের বেসরকারি খাত মরক্কোর সঙ্গে কাজ করতে পারবে। আমরা বাংলাদেশের পণ্যের জন্য নতুন নতুন বাজার খোঁজার চেষ্টা করছি।

এছাড়া যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধারা যেসব দেশে আছেন, তাদের সুরক্ষার বিষয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো তিনটি নতুন উইং খোলা হয়েছে। এর আগে কখনো এমন হয়নি। এগুলো হলো—মাইগ্রেশন উইং, ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ উইং এবং স্পোর্টস অ্যান্ড কালচারাল ডিপ্লোমেসি উইং। এ তিন উইং নিজ নিজ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করবে।