‘আমার জিজ্ঞাসা হলো চালের দাম বেড়েছে কি কমেছে? কৃষক ধানের উপযুক্ত মূল্য পাচ্ছে কি পাচ্ছে না? কতদিন পূর্ণ হলো তার চেয়েও বড় বিবেচ্য হলো কৃষক কতটা সুখী।
গত চার-পাঁচ দিনে চালের দাম কেজিতে ৪-৫ টাকা বেড়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের উচিত বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলা। ডিজেলের মতো কৃষি উপকরণগুলোর সংকট মোকাবেলা ও প্রাপ্যতা নিশ্চিতে সরকারের আরো ভূমিকা প্রয়োজন ছিল।
হাওরের বন্যার ক্ষয়ক্ষতি ম্যানেজ করা সম্ভব ছিল, যদি আগে থেকে কৃষকদের প্রস্তুত রাখা যেত।
সরকার কৃষি কার্ড নিয়ে কথা বলছে। ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণের সুদ মওকুফের কথা বলছে। এগুলো ভালো উদ্যোগ। কিন্তু কৃষকের যেসব সমস্যা, সেগুলো সমাধানে খুব একটা অগ্রগতি দেখা যায়নি। এ বছর ধানের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। কিন্তু মূল্যে এর প্রতিফলন নেই।
সরকার ধানের মূল্য নির্ধারণ করেছে প্রতি মণ ১ হাজার ৪৪০ টাকা। কিন্তু কৃষক তার অনেক কম দামে ধান বিক্রিতে বাধ্য হচ্ছেন। সরকারের ধান ক্রয় কেন্দ্রগুলোয় কৃষকদের যে হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়, সেগুলোর কোনো সমাধান হয়নি।
যেমন ধানের আর্দ্রতা কম হওয়ার অজুহাতে কৃষকের ধান কেনা হয় না। অ্যাপসের বিষয়টিও অনেক কৃষক বোঝেন না। এগুলো সমাধানে সরকারকে বাস্তবমুখী চিন্তা করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে বিষয়গুলোর সমাধান করতে হবে।










