সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গত ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইত এবং বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন।

  • এছাড়া প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের ১ হাজার টাকা করে এবং দুর্গা পূজা, বৌদ্ধ পূর্ণিমা ও বড়দিনে সংশ্লিষ্ট পুরোহিত, সেবাইত, বিহার অধ্যক্ষ, বিহার উপাধ্যক্ষ, যাজক ও সহকারী যাজকদেরকে ২ হাজার করে উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে।
  • সরকার আগামী চার অর্থবছরে মোট চারটি ধাপে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। সেক্ষেত্রে প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এক-চতুর্থাংশ প্রতিষ্ঠান, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে দুই-চতুর্থাংশ প্রতিষ্ঠান, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে তিন-চতুর্থাংশ প্রতিষ্ঠান এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে শতভাগ প্রতিষ্ঠান মাসিক সম্মানীর আওতায় আসবে। এজন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ২ হাজার ২০০ কোটি, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৩ হাজার ৩০০ কোটি ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০০ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে।
  • প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিয়োগ দেয়া হয়েছে, যা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
  • গত ১৭ এপ্রিল হজ ফ্লাইট ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৮ মে সকাল ৭টা পর্যন্ত সৌদি আরবে গমনকারী হজযাত্রীর সংখ্যা ৬২ হাজার ৯০১ (৭৮ হাজার ৫০০ জনের মধ্যে)।
  • ঈদুল ফিতরের সময় সারা দেশে অসহায় ও গরিবদের ত্রাণ ও উপহার বিতরণ করা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ইসলামিক স্কলার ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে জাকাত ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করে দারিদ্র্য বিমোচনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
  • বিগত সময়ের তুলনায় হজযাত্রার খরচ টিকিটপ্রতি ১২ হাজার টাকা এ বছরই কমানো হয়েছে। প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতেই ‘নুসুক হজ কার্ড’ প্রদান করা হয়েছে।