ওয়াল স্ট্রিটের দেয়া পূর্বাভাসের চেয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (মে-জুন) কম আয় করেছে এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান আইবিএম। মেইনফ্রেম কম্পিউটারেরর মতো প্রযুক্তিতে ব্যবসায়ীদের ব্যয় সংকোচনের প্রভাব পড়েছে প্রতিষ্ঠানটির বিক্রিতে।
রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ জুলাই সর্বশেষ প্রান্তিকের আয়ের তথ্য প্রকাশ হয়। ৩০ জুন শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে আইবিএমের আয় ছিল প্রত্যাশার চেয়ে দশমিক ৪ শতাংশ কম, ১ হাজার ৫৪৮ কোটি ডলার। বিশ্লেষকদের অনুমান ছিল, এ আয় দাঁড়াবে ১ হাজার ৫৫৮ কোটি ডলারে।
কভিড-১৯-এর ডামাডোলে সারা বিশ্বে ব্যবসার হাইব্রিড মডেল বেশ লাভজনক হয়ে উঠেছিল। ওই সময় আইবিএমের মতো সার্ভিস প্রোভাইডারদের লাভের অংক বাড়তে থাকে, কিন্তু মহামারী-পরবর্তী মূল্যস্ফীতি ও অন্যান্য সংকটের মধ্যে স্নিপ টেকের বাজেটে টান পড়ে। শুধু আইবিএম নয়, অ্যাকসেনচার ও টাটা কনসালট্যানসি সার্ভিসের মতো বড় প্রযুক্তি কোম্পনিগুলোও চাহিদা সংকটে ভুগছে।
আইবিএমের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা জেমস কাভানাফ এক সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপে আয় বৃদ্ধির হার প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে গেছে। কারণ গত বছর চালু করা মেইনফ্রেম কম্পিউটারগুলো গুটিয়ে আনতে হয়েছে। আইবিএম জানিয়েছে, মেইনফ্রেমভিত্তিক কম্পিউটারের ব্যবসা ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে।’
চ্যাটজিপিটির দুর্দান্ত সাফল্যের পর অন্যান্য কোম্পানির মতো এআই পরিষেবায় যুক্ত হয়েছে আইবিএম। ওয়াটসনএক্স নামের চ্যাটবট তাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা। গত প্রান্তিকে এ খাতে আয় ৭ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৬৬০ কোটি ডলার হয়েছে।










