আবারো জরুরি কল সেবায় বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার টেলিকম অপারেটর অপটাস। রোববার সকালে সিডনির দক্ষিণে ড্যাপটো এলাকায় এ সেবা অচল হয়ে পড়ে। এতে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। খবর রয়টার্স।
অপটাস জানিয়েছে, ড্যাপটো এলাকার একটি ত্রুটিপূর্ণ মোবাইল টাওয়ার সাইটের কারণে কল ও জরুরি সেবা বন্ধ হয়ে যায়। পরে সমস্যাটি সমাধান করা হয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত করেছে, এ সময় যারা জরুরি সেবা নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন, তারা সবাই নিরাপদ আছেন।
এ ঘটনার পর দেশটির ট্রেজারার জিম চ্যালমার্স বলেন, এটি অপটাসের ভয়াবহ ব্যর্থতা। সরকার এ ঘটনার বিস্তারিত খতিয়ে দেখবে। তিনি অস্ট্রেলিয়ান কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মিডিয়া অথরিটিকে ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।
অপটাসের মালিক সিঙ্গাপুর টেলিকমিউনিকেশনস বা সিঙ্গটেল গ্রুপ জানিয়েছে, বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং অস্ট্রেলিয়ান সরকারকে পুরোপুরিভাবে সহযোগিতা করবে। সিঙ্গটেল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী ইউয়েন কুয়ান মুন এ সপ্তাহে দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী আনিকা ওয়েলসের সঙ্গে বৈঠক করবেন। অপটাসের চেয়ারম্যান জন আর্থার ও প্রধান নির্বাহী স্টিফেন রুও এ বৈঠকে যোগ দেবেন।
উল্লেখ্য, গত ১৮ সেপ্টেম্বর ফায়ারওয়াল আপগ্রেড ব্যর্থ হওয়ায় প্রায় ১৩ ঘণ্টা সেবা বন্ধ ছিল। তখন জরুরি সেবা নম্বর দুটি রাজ্য ও নর্দার্ন টেরিটরিতে অচল হয়ে যায়। এতে অন্তত চারজনের মৃত্যু ঘটে। এরপর দুই সপ্তাহের মধ্যে নতুন বিপর্যয় পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে।
তবে অপটাসকে ঘিরে বিতর্ক এবারই প্রথম নয়। এর আগে, ২০২৩ সালে দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক বিভ্রাটে জরুরি সেবা বন্ধ হয়েছিল। তখন একটি সিনেট তদন্ত শুরু হয় ও তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কেলি বায়ার রসমারিন পদত্যাগ করেন। ২০২২ সালে কোম্পানিটি বড় ধরনের ডেটা চুরির শিকার হয়, যাতে কয়েক মিলিয়ন গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়। ওই ঘটনায় প্রতিষ্ঠানকে ১০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা করা হয়।










