অনলাইন বা ডিজিটাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে পণ্য ও সেবা প্রচার এবং বিক্রির পদ্ধতি হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ডিজিটাল চ্যানেল ব্যবহার করে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো হয়, যেমন সোশ্যাল মিডিয়া, সার্চ ইঞ্জিন, ই-মেইল, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন বিজ্ঞাপন।
ডাটা বিশ্লেষণ প্লাটফর্ম ডিমান্ডসেইজ বলছে, বর্তমানে প্রায় ৫৮ শতাংশ ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। সোশ্যাল মিডিয়া যেমন ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে তারা পণ্য প্রচার ও সরাসরি ক্রেতাদের কাছে পৌঁছায়। অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) ব্যবহার করে, যেন তাদের ওয়েবসাইট গুগলে সার্চ করে পাওয়া যায়। ফলে নতুন গ্রাহক সহজেই তাদের খুঁজে পায়। এছাড়া ই-মেইল মার্কেটিং ও অনলাইন বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে গ্রাহকের কাছে বিশেষ অফার ও আপডেট পৌঁছে দেয়া হয়। ব্লগ, ভিডিও ও ইনফোগ্র্যাফিকসের মাধ্যমেও কনটেন্ট মার্কেটিং করে নিজেদের ব্র্যান্ডকে বিশ্বস্ত করে তুলছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের প্রধান কৌশলগুলোর মধ্যে রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, কনটেন্ট মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ই-মেইল মার্কেটিং, পেইড বিজ্ঞাপন (পিপিসি), ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং, পডকাস্ট মার্কেটিং ইত্যাদি। ব্যবসার জন্য গ্রাহক আকৃষ্ট করা, ব্র্যান্ডের উপস্থিতি ও বিক্রি বাড়ানোর জন্য এগুলো অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
গবেষণা বলছে, ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে বিনিয়োগকারী ব্যবসার সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। অনেক ব্যবসা তাদের বিপণন বাজেটের বড় অংশ অনলাইন চ্যানেলগুলোয় ব্যয় করছে। ডিমান্ডসেইজের মতে, ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো ১ ডলার ব্যয় করলে সাধারণত ৫ ডলার মুনাফা অর্জন করে। এছাড়া বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে খরচ ধীরে ধীরে বাড়ছে। চলতি বছর বাজারটি ৭৩ হাজার ৪৬০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।










