মার্কিন চিপ কোম্পানির নির্বাহীরা চীনা নীতিমালা নিয়ে আলোচনার জন্য বাইডেন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। বৈঠকে চীনের প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, যা চীনে যুক্তরাষ্ট্রের বিক্রি প্রভাবিত করতে পারে। খবর টেক ক্রাঞ্চ।

বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন, বাণিজ্যমন্ত্রী জিনা রায়মন্ডো, জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের পরিচালক লিল ব্রেনার্ড ও জাতীয় সুরক্ষা কাউন্সিলের পরিচালক জ্যাক সুলিভান অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আলোচনার মূলত প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল চলমান মার্কিন-চীন বাণিজ্য উত্তেজনা এবং সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ। সেমিকন্ডাক্টর শিল্প বিভিন্ন প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য বিরোধ বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনের ওপর প্রভাব ফেলেছে। এটি চীনের সম্ভাব্য সেমিকন্ডাক্টর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্ব পদক্ষেপ।

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে চীন বাজারে তার লভ্যাংশ রক্ষার জন্য সংকল্পবদ্ধ, কারণ গত বছর চীনের সেমিকন্ডাক্টর ক্রয়ের পরিমাণ ছিল ১৮ হাজার কোটি ডলার। চীন বর্তমানে বিশ্বব্যাপী বৃহত্তম স্বতন্ত্র বাজার হিসেবে নিজেকে তৈরি করেছে। মার্কিন সরকার চিপস আইনের অধীনে সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানির জন্য সংরক্ষিত তহবিলের বরাদ্দ ত্বরান্বিত করছে। মার্কিন নীতি লাভজনক চীনা বাজারে তাদের অংশগ্রহণকে যেন বাধাগ্রস্ত না করে তা নিশ্চিত করে। মার্কিন সরকার চীনের উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চিপগুলোর অধিগ্রহণকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এ ধরনের চিপগুলোয় কম্পিউটিং গতি সীমাবদ্ধ করতে আরো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে তারা।