সেমিকন্ডাক্টর
বা চিপ খাতে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গবেষণার
পাশাপাশি উৎপাদন বাড়াতে বিনিয়োগও করছে। সম্প্রতি এ শিল্প সমিতির গবেষণা অনুযায়ী, ২০৩০
সাল নাগাদ এ খাতে ৬৭ হাজার কর্মী সংকটের মুখে পড়বে দেশটি। খবর রয়টার্স।
চলতি দশক
শেষে চিপ খাতে কর্মীর সংখ্যা চার লাখ ৬০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলেও জানানো হয়েছে। বর্তমানে
যার পরিমাণ তিন লাখ ৪৫ হাজার। সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (এসআইএ) ও অক্সফোর্ড
ইকোনমিকস পরিচালিত জরিপে বলা হয়, বর্তমানে যে হারে শিক্ষার্থী গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন
করছে তাতে যুক্তরাষ্ট্র পর্যাপ্ত দক্ষ শ্রমিক তৈরি করতে পারবে না।
যুক্তরাষ্ট্র
যখন চিপ খাতের উন্নয়নে কাজ করছে ও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে তখনই জরিপের বিষয়টি প্রকাশ্যে
আসে। এ খাতে এগিয়ে থাকতে চিপস অ্যাক্ট কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ৯ আগস্ট এটিকে
আইনে রুপান্তরিত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন উৎপাদন কেন্দ্র, গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম
অন্তর্ভুক্ত।
দেশটির বাণিজ্য
মন্ত্রণালয় উৎপাদন কার্যক্রম বাড়াতে তিন হাজার ৯০০ কোটি ডলারের ভর্তুকি প্রকল্প দেখভাল
করছে। এ ভর্তুকি লাভে ইন্টেল, তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি (টিএসএমসি)
ও স্যামসাং ইলেকট্রনিকস আবেদন করার কথা জানিয়েছে। এসআইএ জানায়, নতুন কারখানাগুলো উল্লেখযোগ্য
পরিমাণ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। সংকটে থাকা কর্মীদের মধ্যে কম্পিউটার বিজ্ঞানী,
ইঞ্জিনিয়ার ও টেকনিশিয়ান রয়েছে।
এসআইএর প্রেসিডেন্ট
জন নিউফার বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে আমরা এ সমস্যার সম্মুখীন হয়ে আসছি।’ প্রকাশিত জরিপ
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও গণিতে গ্র্যাজুয়েশন করা
শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে আসা চিপ খাতে দক্ষ কর্মীর সংকট তৈরিতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করছে।










