ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা ও অনলাইনে নিরাপদে থাকার জন্য বিশ্বজুড়ে মানুষের মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে ভিপিএন বা ভার্চুয়াল প্রাভেট নেটওয়ার্কের ব্যবহার। বিশ্বব্যাপী এরই মধ্যে ১৭৫ কোটির বেশি মানুষ পরিষেবাটি ব্যবহার করছে। পাশাপাশি বর্তমানে বিশ্বের ৯৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠান কোনো না কোনোভাবে ভিপিএন সেবার ওপর নির্ভরশীল। ডাটা বিশ্লেষণ প্লাটফর্ম ডিমান্ডসেইজের ভিপিএন স্ট্যাটিসটিক অব ২০২৫ প্রতিবেদনে সম্প্রতি এ তথ্য উঠে এসেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপকভাবে ‘গোপন টানেল’ (ভিপিএন) প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করছে। অনেকে প্রতিষ্ঠান কর্মক্ষেত্রে তথ্য সুরক্ষার জন্যও এটি ব্যবহার করে।
ভিপিএন এমন একটি অনলাইন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা ফোন বা কম্পিউটার থেকে ইন্টারনেট পর্যন্ত একটি গোপন রাস্তা তৈরি করে। এ রাস্তা দিয়ে ব্যক্তি যা কিছু দেখেন বা করেন তা অন্য কেউ সহজে জানতে বা ট্র্যাক করতে পারে না। যদিও এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটো দিকই রয়েছে।
২০২৪ সালের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিপিএন ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি। দেশটির প্রায় ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বিভিন্ন অনলাইন কাজের জন্য ভিপিএন ব্যবহার করে।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাশিয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ, তথ্যপ্রবাহ সীমাবদ্ধতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার চাহিদা বাড়ায় এসব দেশে ভিপিএনের জনপ্রিয়তা বেশি।
তবে গবেষণা বলছে, ভিপিএন এখন শুধু অফিস বা কাজের প্রয়োজনে সীমাবদ্ধ নয়। বরং ব্যক্তিগত অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিতেও এর ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে। সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ ব্যবহারকারী কেবল ব্যক্তিগত কারণে ভিপিএন ব্যবহার করে।










