ওয়্যারেবল বা পরিধেয় গ্যাজেটের ক্ষেত্রে স্মার্ট রিং দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। যদিও প্রথম সারির স্মার্টওয়াচের মতো সুযোগ-সুবিধা গ্যাজেটটিতে পাওয়া যায় না, তবে স্বাস্থ্যসহ বেশ কয়েকটি ট্র্যাকিং ফিচার ও দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপের জন্য অনেকেই পছন্দ করছেন এটি। ছোট আকারের হওয়ায় ফ্যাশন বিবেচনায় কেউ কেউ স্মার্টওয়াচের পাশাপাশি ব্যবহার করছেন। বাজারে এরই মধ্যে শীর্ষ টেক জায়ান্ট স্যামসাংয়ের ‘গ্যালাক্সি রিং’ পাওয়া যায়। গুঞ্জন শোনা গেছে যে স্মার্ট রিং প্রতিযোগিতায় নাম লেখাবে অ্যাপলও। তবে গ্যাজেটটির আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানি আউরার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টম হেল বলছেন ভিন্ন কথা। অ্যাপল স্মার্ট রিং উন্মোচন করবে না বলে জানান তিনি। খবর সিএনবিসি।
চলতি বছর স্যামসাং গ্যালাক্সি রিং উন্মোচন করে। এদিকে প্রযুক্তিবিষয়ক বিশ্লেষণ ও পরামর্শক সংস্থা সিসিএস ইনসাইটের বার্ষিক পূর্বাভাস প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালে অ্যাপল নিজেদের স্মার্ট রিং বাজারে নিয়ে আসতে পারে।
আউরার সিইও মনে করছেন, স্মার্ট রিং প্রতিযোগিতায় অ্যাপল নামবে না। সিএনবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, তারা (অ্যাপল) একই সঙ্গে আংটি ও ঘড়ি রাখার ধারণায় সন্তুষ্ট নয়। তাছাড়া তারা অ্যাপল ওয়াচের ব্যবসা হ্রাস করতেও আগ্রহী নয়। আমি এটাও বিশ্বাস করি যে তারা স্যামসাং ও আমাদের খুব কাছ থেকে দেখছে। তবে পুরো একটি নতুন প্রডাক্ট তৈরি করা নিশ্চয় কঠিন হবে!’ টম হেল আরো বলেন, ‘অ্যাপল যথেষ্ট লক্ষ্য স্থির গুণসম্পন্ন কোম্পানি। তারা অনেকটা এমন—ঘড়ির প্রতি আমরা বাজি ধরেছি এবং ঘড়িই আমাদের মুখ্য (পরিধেয়) পণ্য হবে।’
তবে অনেক প্রযুক্তি বিশ্লেষক মনে করছেন, এখনো অ্যাপলের পক্ষ থেকে সম্ভাবনা রয়েছে। তারা টম হেলের বক্তব্যের প্রতিই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি যেহেতু বলেছেন যে নতুন একটি প্রডাক্ট ক্যাটাগরি আনা কঠিন হতে পারে। এর অর্থ একেবারে যে সম্ভাবনা নেই তা নয়।
২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই স্মার্ট রিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে আউরা। ফিনল্যান্ডভিত্তিক কোম্পানিটি ২০১৫ সালে নিজেদের প্রথম স্মার্ট রিং ‘আউরা রিং’ বাজারে আনে। ওয়্যারেবল গ্যাজেট বাজারে এগিয়ে থাকতে গত অক্টোবরে আউরা পরবর্তী প্রজন্মের ‘আউরা রিং ফোর’ উন্মোচন করেছে।










