কয়েক মাস ধরে স্মার্টফোন বিক্রি নিম্নমুখী। এ পরিস্থিতির পর বর্তমানে উৎসব মৌসুমকে সামনে রেখে পুরোদমে কাজ করার কথা ভাবছে সেলফোন উৎপাদনকারীরা। বিশেষ করে ফাইভজি সংযোগের বিস্তার ও এ সুবিধাযুক্ত স্মার্টফোনের চাহিদা বাড়ায় সুযোগ কাজে লাগাতে চাইছে কোম্পানিগুলো। খবর ইটিটেলিকম।
আগের বছর সেলফোন উৎপাদন খাতে কর্মসংস্থানের হার ছিল ১০ শতাংশ। সেখানে চলতি বছরের উৎসব মৌসুমকে সামনে রেখে কর্মসংস্থান হার ১৫ শতাংশে উত্তীর্ণ হবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। খুচরা বিক্রি ও চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানা গেছে। কেননা ব্র্যান্ডগুলো উৎসব মৌসুমে বিক্রি বাড়াতে অাগ্রহী।
গত কয়েক প্রান্তিকে স্মার্টফোনের বাজার খুবই নিম্নমুখী ছিল। বিক্রি কম থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাইও করেছে। তবে মৌসুমকে সামনে রেখে কর্মসংস্থান পুনরায় বাড়াতে শুরু করেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ফাইভজি স্মার্টফোনের চাহিদা, সরবরাহ ও বিক্রি বাড়ার সঙ্গে গ্রাহকদের ইতিবাচক মনোভাব কোম্পানিগুলোর বিক্রি বাড়াতে সহায়তা করবে।
কুয়েস করপোরেশনের ওয়ার্কফোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রেসিডেন্ট লোহিত ভাটিয়া বলেন, ‘কভিড-১৯ মহামারী-পরবর্তী সময়ে এটি প্রথম উৎসব মৌসুম, যেখানে অর্থনৈতিক অবস্থা পুনরুদ্ধারের বিষয়টি উঠে এসেছে। গ্রাহকদের চাহিদাও রয়েছে এবং বিক্রিও হবে।’
জিনিয়াস কনসালট্যান্টসের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর আরপি ইয়াদাভ বলেন, ‘বর্তমানে ফাইভজির পরিধি দ্রুত বাড়ছে। এ সুবিধা ব্যবহারের জন্য অনেক ব্যবহারকারীকে ডিভাইস পরিবর্তন করতে হবে। এ কারণে ব্র্যান্ডগুলো এখন বিক্রি বাড়ানোয় মনোযোগ দিচ্ছে।’
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চলতি উৎসব মৌসুমে কর্মী নিয়োগের দিক থেকে শীর্ষে থাকবে স্যামসাং। তবে এ বিষয়ে স্যামসাং, ভিভো, শাওমি, রিয়েলমি, অপো ও অ্যাপল কেউই কোনো মন্তব্য করেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎসব মৌসুমের অধিকাংশ নিয়োগই হবে চুক্তিভিত্তিক। ইয়াদাভ বলেন, ‘সাধারণ তিন-ছয় মাসের জন্য চুক্তি হয়ে থাকে। এ বছর সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত চুক্তি হতে পারে। সেক্ষেত্রে মেয়াদ হবে ছয় মাস।’










