ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অঞ্চলভুক্ত দেশগুলো ও আইনপ্রণেতারা চলতি সপ্তাহে নতুন নীতিমালা প্রণয়নে একমত হয়েছে। ইন্টারনেটের সঙ্গে যুক্ত স্মার্ট ডিভাইসগুলোকে সাইবার হামলার হুমকি থেকে রক্ষায় এ নীতিমালা তৈরি হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সাইবার আক্রমণ এবং র্যানসমওয়্যার হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পর এ নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স।
গত সেপ্টেম্বরে ইউরোপীয় কমিশন সাইবার রেজিলিয়েন্স অ্যাক্ট প্রস্তাব করেছিল। প্রস্তাবিত আইনটি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংযুক্ত সব ইন্টারনেট ব্যবহৃত ইলেকট্রনিকস পণ্যগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে। আইনটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ডিজাইন, বিকাশও বিক্রয়ের জন্য সাইবার নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
প্রযুক্তি নির্মাতাদের অবশ্যই তাদের নির্মাণকৃত পণ্যের সাইবার ঝুঁকি মূল্যায়ন করতে হবে। পাশাপাশি পণ্য প্রয়োজনীয় স্ট্যান্ডার্ড পূরণ করছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে বলে জানান বিশ্লেষকরা। এছাড়া পণ্যের সমস্যাগুলো ন্যূনতম পাঁচ বছর পর্যন্ত সমাধান করতে হবে।
ভোক্তা ও ব্যবসার জন্য হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার নিরাপত্তা সম্পর্কে প্রযুক্তি নির্মাতা কোম্পানিগুলোকে আরো স্বচ্ছ হতে হবে। তাদের অবশ্যই জাতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সাইবার নিরাপত্তা বিঘ্নের ঘটনা জানাতে হবে। আমদানিকারক ও পরিবেশকদের অবশ্যই ইইউর নিয়ম অনুসরণ করে পণ্যের মান যাচাই করতে হবে।
স্পেনের ডিজিটাল রূপান্তর মন্ত্রী হোসে লুইস এসক্রিভা জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নে বিক্রি হওয়া ডিভাইসগুলোয় মৌলিক সাইবার নিরাপত্তা থাকতে হবে, যাতে ব্যবসা ও ভোক্তারা সাইবার হামলার থেকে সুরক্ষিত থাকে। মিশন জানিয়েছে, এ নীতিমালার ফলে কোম্পানিগুলো বছরে ২৯ হাজার কোটি ইউরো পর্যন্ত খরচ সাশ্রয় করতে পারে।










