এপিক গেমস সম্প্রতি মোগিলেভিচ নামের নতুন একটি হ্যাকিং গ্রুপের সাইবার হামলায় সার্ভার থেকে তথ্য চুরির দাবি অস্বীকার করেছে। এপিক গেমসের তদন্তের পর সাইবার হামলার কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ পায়নি এমনটাই জানিয়েছে ফোর্টনাইটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। খবর টেকটাইমস।
মোগিলেভিচের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এপিক গেমস দ্রুত তদন্ত শুরু করেছিল। তবে সাইবার হামলা বা তাদের কোম্পানির সার্ভার থেকে তথ্য চুরির কোনো প্রমাণ পাননি এপিক গেমসের নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। এর আগে মোগিলেভিচ এক্সের (সাবেক টুইটার) বার্তায়, চুরি করা তথ্য প্রকাশ বা বিক্রি না করার বিনিময়ে এপিক গেমস থেকে ১৫ হাজার ডলার দাবি করেছিল।
র্যানসমওয়্যার গ্যাং হিসেবে পরিচিত মোগিলেভিচ দাবি করেছে, তারা এপিক গেমসের সার্ভার হ্যাক করে ব্যবহারকারীদের ই-মেইল, পাসওয়ার্ড, পেমেন্ট ইনফরমেশন এবং সোর্স কোডসহ প্রায় ১৮৯ গিগাবাইট ডাটা চুরি করেছে।
যদিও মোগিলেভিচ চুরি হওয়া তথ্য বিক্রি করার হুমকি দিয়ে ৪ মার্চ পর্যন্ত মুক্তিপণ সময়সীমা নির্ধারণ দিয়েছে। তবে তারা এখনো হ্যাকিংয়ের যথেষ্ট প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে এপিক গেমস।
এর আগে ২০১৮ সালের নভেম্বরে সিকিউরিটি চেক পয়েন্ট সুরক্ষা বিশেষজ্ঞরা এপিক গেমসের ওয়েবসাইটে নিরাপত্তা ত্রুটিগুলো আবিষ্কার করেছিলেন। তারা দেখিয়েছিলেন যে নিরাপত্তা ত্রুটিগুলোর মাধ্যমে হ্যাকাররা পাসওয়ার্ড ছাড়াই ব্যবহারকারীর ফোর্টনাইট অ্যাকাউন্টগুলোর অ্যাকসেস নিতে পারছিল।
অন্যদিকে মোগিলেভিচ আয়ারল্যান্ডের পররাষ্ট্র বিভাগ এবং ইনফিনিটি ইউএসএসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে হ্যাকিংয়ের টার্গেট করার দাবি করেছে। তবে এ দাবিগুলো সমর্থন করার তারা কোনো শক্তিশালী প্রমাণ দেখাতে পারেনি। সাইবার নিরাপত্তা গবেষকরা সন্দেহ করেছেন, অন্যান্য র্যানসমওয়্যার গ্যাংগুলোর বিপরীতে মোগিলেভিচ মিথ্যা ডাটার বিনিময়ে প্রতারণার চেষ্টা করছে।










