বাংলাদেশের ৪৭৬ রানের জবাবে ২৬৫ রানে গুটিয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। সুযোগ পেয়েও আইরিশদের ফলোঅন করায়নি স্বাগতিকরা। আজ তৃতীয় দিন চা-বিরতির অল্প আগে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ১ উইকেটে ১৫৬ রান তুলে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দুই ইনিংস মিলে স্বাগতিক দলের লিড বেড়ে হয়েছে ৩৬৭ রান।

আইরিশরা অলআউট হয়ে গেলে বাংলাদেশ ২১১ রানের লিড পায়। এরপর দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলামের দাপটে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। দুজন ১৮৭ বলে ১১৯ রান তুলে বিচ্ছিন্ন হন। জয় ৯১ বলে ৬০ রান করে সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হক সৌরভকে নিয়ে ২৯ বলে ৩৭ রান যোগ করে স্কোরবোর্ডটা সংহত করেন সাদমান। দিনশেষে বাংলাদেশের লিড ৩৬৭ রানের। সাদমান ১১০ বলে ৬৯ ও মুমিনুল ২১ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলা মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। সেঞ্চুরি করেছেন লিটন দাসও। তাদের ব্যাটে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৭৬ রানে থামে বাংলাদেশ। জবাবে আজ শুক্রবার তৃতীয় দিন দ্বিতীয় সেশনে ২৬৫ রানে অলআউট হয়েছে আয়ারল্যান্ড। অতিথি দলকে ফলোঅন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন আয়ারল্যান্ড ৩৮ ওভারে ৯৮ রানে ৫ উইকেট হারায়। সেখান থেকে লোরকান টাকার, স্টিফেন ডোহেনি ও জর্ডান নেইল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। টাকার ৭৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন। নেইলের ব্যাট থেকে আসে ৪৯ রান, আর ডোহেনি করেন ৪৬ রান। বাংলাদেশের হয়ে বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ৪ উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নেন খালেদ আহমেদ ও হাসান মুরাদ। পেসার এবাদত হোসেন ও স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের দখলে গেছে একটি করে উইকেট।

এদিন ৪ উইকেট নিয়ে সাকিব সাকিব আল হাসানকে ছুয়ে ফেলেছেন তাইজুল বামহাতি স্পিনার ইসলাম। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট এখন যৌথভাবে দুজনেরই, ১৪৬টি করে। সাকিব ৭১ টেস্টে ২৪৬ উইকেট নেন, তাইজুলের যা নিতে লেগেছে ৫৭ টেস্ট। দুশ উইকেট আছে আর একজনের—মিরাজ ৫৬ টেস্টে নিয়েছেন ২০৯ উইকেট।

আজ ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ঢাকার মাঠেও। গ্যালারির দোতলায় বসে থাকা দর্শকেরাও তাড়াহুড়া করে নামতে শুরু করেছিলেন। খেলোয়াড়েরা সবাই মাঠেই ছিলেন, কিন্তু তাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছিল ভয়। আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটাররা জড়ো হন একসঙ্গে। ১০টা ৩৮ মিনিটে হওয়া সেই ভূমিকম্পের কারণে খেলা বন্ধ থাকে ৩ মিনিট।

বাংলাদেশের ৪৭৬ রানের জবাবে ২৬৫ রানে গুটিয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। সুযোগ পেয়েও আইরিশদের ফলোঅন করায়নি স্বাগতিকরা। আজ তৃতীয় দিন চা-বিরতির অল্প আগে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ১ উইকেটে ১৫৬ রান তুলে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দুই ইনিংস মিলে স্বাগতিক দলের লিড বেড়ে হয়েছে ৩৬৭ রান।

আইরিশরা অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ ২১১ রানের লিড পায়। এরপর দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলামের দাপটে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণ সূচনা পায় বাংলাদেশ। দুজন ১৮৭ বলে ১১৯ রান তুলে বিচ্ছিন্ন হন। জয় ৯১ বলে ৬০ রান করে সাজঘরে ফিরে যাওয়ার পর দ্বিতীয় উইকেটে মুমিনুল হক সৌরভকে নিয়ে ২৯ বলে ৩৭ রান যোগ করে স্কোরবোর্ডটা সংহত করেন সাদমান। দিনশেষে বাংলাদেশের লিড ৩৬৭ রানের। সাদমান ১১০ বলে ৬৯ ও মুমিনুল ২১ বলে ১৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলা মুশফিকুর রহিম সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। সেঞ্চুরি করেছেন লিটন দাসও। তাদের ব্যাটে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৭৬ রানে থামে বাংলাদেশ। জবাবে আজ শুক্রবার তৃতীয় দিন দ্বিতীয় সেশনে ২৬৫ রানে অলআউট হয়েছে আয়ারল্যান্ড। অতিথি দলকে ফলোঅন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন আয়ারল্যান্ড ৩৮ ওভারে ৯৮ রানে ৫ উইকেট হারায়। সেখান থেকে লোরকান টাকার, স্টিফেন ডোহেনি ও জর্ডান নেইল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। টাকার ৭৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন। নেইলের ব্যাট থেকে আসে ৪৯ রান, আর ডোহেনি করেন ৪৬ রান। বাংলাদেশের হয়ে বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ৪ উইকেট নেন। দুটি করে উইকেট নেন খালেদ আহমেদ ও হাসান মুরাদ। পেসার এবাদত হোসেন ও স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের দখলে গেছে একটি করে উইকেট।

এদিন ৪ উইকেট নিয়ে সাকিব সাকিব আল হাসানকে ছুয়ে ফেলেছেন তাইজুল বামহাতি স্পিনার ইসলাম। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট এখন যৌথভাবে দুজনেরই, ১৪৬টি করে। সাকিব ৭১ টেস্টে ২৪৬ উইকেট নেন, তাইজুলের যা নিতে লেগেছে ৫৭ টেস্ট। দুশ উইকেট আছে আর একজনের—মিরাজ ৫৬ টেস্টে নিয়েছেন ২০৯ উইকেট।

আজ ভূমিকম্পে আতঙ্ক ছড়িয়েছে ঢাকার মাঠেও। গ্যালারির দোতলায় বসে থাকা দর্শকেরাও তাড়াহুড়া করে নামতে শুরু করেছিলেন। খেলোয়াড়েরা সবাই মাঠেই ছিলেন, কিন্তু তাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছিল ভয়। আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটাররা জড়ো হন একসঙ্গে। ১০টা ৩৮ মিনিটে হওয়া সেই ভূমিকম্পের কারণে খেলা বন্ধ থাকে ৩ মিনিট।