কুয়াশায় মোড়ানো শীতের দুপুরে মিরপুরে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন উসমান খান। চট্টগ্রাম কিংসের এই ওপেনারের হাত ধরে আসরের সপ্তম ম্যাচে এসে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেল চলতি বিপিএল। ১৩ চার ও ৬ ছক্কার মারে ৬২ বলে ১২৩ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেছেন উসমান। পাকিস্তানি এই ওপেনারের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ২১৯ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছে চট্টগ্রাম।
বিপিএল ইতিহাসে মিরপুর শের-ই-বাংলায় এটিই দলীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। এর আগে মিরপুরে ২১৮ রানের রেকর্ড সংগ্রহ ছিল খুলনার। ২০২০ বিপিএলে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের তৎকালীন নাম) বিপক্ষে এমন ইনিংস খেলেছিল তারা।
আজ (শুক্রবার) মিরপুর শের-ই-বাংলায় টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই প্রথম উইকেট হারিয়েছিল চিটাগং কিংস। তাসকিন আহমেদের বলে সাব্বির হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন পারভেজ হোসেন ইমন। এরপরের গল্পটা উসমান খানের। দুর্বার রাজশাহীর বোলারদের ওপর দিয়ে ঝড় বইয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানের এই ওপেনার।
উসমান খানকে অন্য প্রান্তে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন ইংলিশ ব্যাটার গ্রাহাম ক্লার্ক। দুজনে মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ৬৩ বলে ১২০ রানের জুটি গড়েন। যদিও ২৫ বলে ব্যক্তিগত ৪০ রানের মাথায় সোহাগ গাজীর বলে ফিরতে হয়েছে ক্লার্ককে।
তৃতীয় উইকেটে কিংস অধিনায়ক মোহাম্মদ মিথুনকে নিয়ে আবারও জুটি করেন উসমান। অবশেষে হাঁকিয়ে ফেলেন সেঞ্চুরিও। ইনিংসের ১৪তম ওভারে তিন অংকের স্পর্শ করেন তিনি। ১১ চারের সঙ্গে ৫ ছক্কা মেরে দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করেন বিপিএলের প্রথম সেঞ্চুরির ইনিংস উপহার দিয়ে। বিপিএল ক্যারিয়ারে এটি উসমান খানের দ্বিতীয় সেঞ্চরি।
১৫ বলে ২৮ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলে আউট হন মিথুন। দলীয় স্কোর ২০০ পার করে সাজঘরে ফেরত যান উসমান। তাসকিন আহমেদের বলে হাসান মুরাদের হাতে ক্যাচ হওয়ার আগে করেন ৬২ বলে ১২৩ রান (১৩ চার ৬ ছক্কা)। অবশেষে রাজশাহীর বিপক্ষে ২১৯ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায় কিংস।










