প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে উড়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় দেখায় সিরিজে সমতা এনেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। উইন্ডিজকে ৬০ রানে হারিয়ে দলটির বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো কোনো ওডিআই জিতল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ২০২৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেয়ার সম্ভাবনাও টিকে রইল বাংলাদেশের। তিন ম্যাচের সিরিজের শেষ ম্যাচ জিতলেই নিউজিল্যান্ডকে বাছাইপর্বে ঠেলে বিশ্বকাপের টিকিট কাটবে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টায় সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের ওয়ার্নার পার্কে মাঠে নামে বাংলাদেশ। টেসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা খারাপ হয়নি বাংলাদেশের। ওপেনার মুর্শিদা ১২ রান করে ফিরলে ভাঙ্গে ৩৪ রানের জুটি। কিন্তু, এরপর ফারজানা পিংকি ১৮ আর শারমিন আক্তার ১১ রান করে ফিরলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
এমন অবস্থায় দলের হাল ধরেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ৫৬ রানে তৃতীয় উইকেট খোয়ানোর পর সোবহানাকে নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়েন নিগার। পরে ষষ্ঠ উইকেটে স্বর্ণাকে নিয়ে ৩৮ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক। বাংলাদেশের ইনিংসে এ ছাড়া ৩০ ছাড়ানো জুটি ছিল প্রথম উইকেটে মুরশিদা খাতুন ও ফারজানা হকের। নিগারের ৬৮ রানের ইনিংসের উপর ভর করে ১৮৪ রানের মাঝারি পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
তবে বোলিংয়ে দলগত সাফল্য পায় টাইগ্রেসরা। পেসার মারুফা দুইটি আর তিন স্পিনার নাহিদা, রাবেয়া ও ফাহিমা মিলে ৭টি উইকেট তুলে নিলে, ১২৪ রানে অলআউট হয় উইন্ডিজ নারী দল।
আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভারতে হবে পরবর্তী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। আট দলের সেই বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পাবে স্বাগতিক ভারতসহ চলমান উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ ৬ দল।
বাংলাদেশ শেষ ম্যাচটি না হারলেই নিউজিল্যান্ডকে টপকে উঠে যাবে বিশ্বকাপে। তবে উইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ হেরে গেলেও বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয়ার আরেকটি সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। তখন ৬ দলের একটি বাছাইপর্বে খেলতে হবে। যেখান থেকে বিশ্বকাপে যাবে দুটি দল।










