দুবাইয়ে শুক্রবার অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের উদ্বোধনী দিনেই দেখা গেল ব্যাটিং ঝড়। ভারতের বৈভব সূর্যবংশী ও পাকিস্তানের সামির মিনহাস চোখ ধাঁধাঁনো দুই সেঞ্চুরি করেছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৯৫ বলে ১৪ ছক্কা ও ৯ চারে ১৭১ রান করেছেন বৈভব। শুধু বাউন্ডারি থেকেই তিনি নিয়েছেন ১২০ রান। সূর্যবংশীর এই ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৪৩৩ রানের সৌধ গড়ে ভারত। জবাবে আরব আমিরাত ৭ উইকেটে ১৯৯ রান তুলতে সমর্থ হলে ২৩৪ রানের বিশাল জয় পায় ভারত।
আইপিএলে ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরির রেকর্ডধারী সূর্যবংশী শুক্রবার ১৭১ রান নিয়ে একাধিক কীর্তি গড়েন। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে এটিই তার সর্বোচ্চ ইনিংস। এর আগে এই পর্যায়ের ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ১৪৩ রানের।
এই ইনিংসে ১৪ ছক্কা মেরে আরেক রেকর্ড গড়েছেন সূর্যবংশী। যুব ওয়ানডেতে এক ইনিংসে এটি সর্বোচ্চ ছক্কা মারার রেকর্ড। ২০০৮ সালে নামিবিয়ার বিপক্ষে যুব ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার মাইকেল হিল ১২ ছক্কা মেরেছিলেন। ভারতের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডেতে তার ১৭১ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৭৭ রানের ইনিংস খেলেন আম্বাতি রাইদু।
এদিকে, অভিষেক স্মরণীয় করে রাখলেন পাকিস্তানের সামির মিনহাস। ১৪৮ বলে ১৭৭ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন তিনি। দুবাইয়ে শুক্রবার মালয়েশিয়ার বিপক্ষে তার ইনিংসটি গড়া ১১ চার ও ৮ ছক্কায়। যুব ওয়ানডেতে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস এটিই। সামির পেছনে ফেলে দিলেন গত বছর একই প্রতিযোগিতায় ভারতের বিপক্ষে শাহজাইব খানের ১৫৯ রানের ইনিংসকে।
সামিরের পাশাপাশি সেঞ্চুরি করেন আহমেদ হুসাইনও। ৮ চার ও ২ ছক্কায় ১১৪ বলে ১৩২ রান করেন তিনি। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩০ রানে ২ উইকেট হারানোর পর, তৃতীয় উইকেটে সামির ও আহমেদ গড়েন ২৯৩ রানের জুটি। যুব ওয়ানডেতে যেকোনো উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি এটি। সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডটি এখনও ইংল্যান্ডের ড্যান লরেন্স ও জ্যাক বার্নহ্যামের, ২০১৬ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে ফিজির বিপক্ষে দ্বিতীয় উইকেটে ৩০৩ রান যোগ করেছিলেন তারা।
৫০ ওভারে পাকিস্তান করে ৩ উইকেটে ৩৪৫ রান। পরে বোলারদের সম্মিলিত অবদানে মালয়েশিয়াকে ৪৮ রানে গুটিয়ে ২৯৭ রানের বিশাল জয় পায় তারা।
শনিবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ খেলবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে, নেপাল মুখোমুখি হবে শ্রীলংকার।










