সম্প্রতি রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দেন ওপেনার হাবিবুর রহমান। সেই তরুণ আজ দ্বাদশ বিপিএল নিলামে ৫০ লাখ টাকায় দল পেয়েছেন। ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে তার ভিত্তিমূল্য ছিল ১৮ লাখ টাকা। তাকে দলে নিতে নোয়াখালী এক্সপ্রেস খরচ করেছে ৫০ লাখ টাকা। একই টুর্নামেন্টে চমক দেখানো পেসার আব্দুল গাফফারকে ৪৪ লাখ টাকায় নিয়েছে রাজশাহী। আরেক তরুণ ওপেনার জিসান আলমকেও ভিত্তিমূল্য ১৮ লাখ টাকায় নিয়েছে তারা। আর এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। তাকে দলে টেনেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
গত আসরে ঢাকা ক্যাপিটালসে খেলেছিলেন সাব্বির রহমান। তাকে ২৮ লাখ টাকায় ধরে রেখেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ভিত্তিমূল্য ১৮ লাখ টাকায় ঢাকা কিনেছে এক সময় জাতীয় দলে খেলা তারকা ক্রিকেটার নাসির হোসেন।

হাবিবুর রহমান। ছবি: বিসিবি
মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে বেশ কাড়াকাড়ি হয়েছে। সিলেট, নোয়াখালী ও ঢাকার কাড়াকাড়িতে তার দাম ওঠে ৫২ লাখ টাকা। শেষ পর্যন্ত মিঠুনের ঠিকানা হয়েছে ঢাকা।
এদিকে, অবিক্রিত থেকে গেছেন ‘সি’ ক্যাটাগরিতে থাকা জাতীয় দলের পেসার ইবাদত হোসেন। আরেক পেসার নাহিদ রানা ৫৬ লাখ টাকায় গেছেন রংপুর রাইডার্সে। গত আসরেও একই ফ্র্যাঞ্চাইজের হয়ে খেলেছেন তিনি। জাতীয় দলের তারতা তাওহীদ হৃদয়কে ৯২ লাখ টাকায় দলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স, শামীম হোসেনকে ৫৬ লাখে নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। আজই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দলে ডাক পেয়েছেন শামীম। ৩৫ লাখ টাকায় ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনকে নিয়েছে সিলেট টাইটানস। মো. সাইফ উদ্দিনকে ৬৮ লাখ টাকায় নিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
মোহাম্মদ নাঈম শেখের জন্য নিলামে আগ্রহ প্রকাশ করে সিলেট, রংপুর ও নোয়াখালী। তিন দলের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জয়টা হয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালসের। তিন দলের লড়াইয়ে জিতেছে তারা। ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় তারা দলে নিয়েছে এ ওপেনারকে। গত আসরে ৫১১ রান করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি।
৭০ লাখ টাকায় রংপুর রাইডার্স দলে নিয়েছে ‘এ’ ক্যাটাগরির লিটন দাসকে। জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন গত আসরে ছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালসে।
‘বি’ ক্যাটাগরিতে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তোলা হয় মাহমুদউল্লাহর নাম। কিন্তু তাকে কিনতে আগ্রহ দেখায়নি ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজির কেউ। অবিক্রিত থেকেছেন আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমও। দুজনের ভিত্তিমূল্যই ছিল ৩৫ লাখ টাকা। তবে অবিক্রিত ক্রিকেটারদের পরে আবার নিলামে তোলা হবে। তবে তখন তাদের তোলা হবে ‘সি’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার হিসেবে।










