এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে মাঠে ফিরেই ইন্টার মায়ামির জয় উদযাপন করলেন লিওনেল মেসি এবং এই জয়ে তার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। বাংলাদেশ সময় আজ বৃহস্পতিবার ভোরে তারকাখচিত দল নিয়ে লিগ কাপের ম্যাচে অ্যাটলাসকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। আর্জেন্টিনা দলে প্রিয় সতীর্থ রদ্রিগো ডি পলের অভিষেক ম্যাচে দুটি গোলেই অ্যাসিস্ট করে তাকে জয় উপহার দেন মেসি।

অভিষেক ম্যাচে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন ডি পল এবং নিজের স্বভাবসুলভ খেলাটাই খেলেছেন। তিনি মধ্যমাঠ দাপিয়ে বেড়ান এবং ফরোয়ার্ডে নিয়মিত বল সরবরাহ করে গেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের মাঠ তার অপরিচিত নয়। সম্প্রতি অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে ক্লাব বিশ্বকাপ খেলেছেন যুক্তরাষ্ট্রে। মেসির সঙ্গে ডি পলের রসায়নটাও নতুন নয়। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ এবং ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা জিতেছেন তারা। এবার দুই ‘বন্ধু’ যুক্ত হয়েছেন ইন্টার মায়ামিতে।

যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ দিকে মার্সেলোরা ভাইগ্যান্টের গোলটি তৈরি করে দেন মেসি। অফসাইডের কারণ দেখিয়ে গোলটি প্রথমে বাতিল করা হলেও পরে ভিডিও এসিস্ট্যান্ট রেফারি এটিকে বৈধ গোল হিসেবে রায় দেয়। এর আগে ৫৭ মিনিটে তেলাস্কো সেগোভিয়ার গোলে লিড নেয় মায়ামি। ৮০ মিনিটে রিভান্ডো লেজানো সেই গোল পরিশোধ করে দেন। যদিও মেসি ছিলেন বলে শেষ মুহূর্তে জয় ছিনিয়ে নেয় ইন্টার মায়ামি।

ম্যাচ শেষে মেসি বলেন, ‘সত্য কথা হলো, গরমের কারণে আমার জন্য ম্যাচটি কঠিন ছিল, আর আগের ম্যাচে না খেলাও একটা কারণ। আমার আসলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার দরকার, তাই সবকিছু সহজ মনে হয়নি। যত বেশি ম্যাচ খেলব আমি শারীরিকভাবেও ততটা ছন্দে থাকব। অন্যদিন তারা আমাকে খেলতে দেয়নি এবং সেই ঘাটতিটা আমি প্রথমার্ধে টের পাই। যদিও দলের জয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

অল-স্টার ম্যাচ না খেলায় মেসিকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করে এমএলএস। ফলে শনিবার এফসি সিনসিনাটির বিপক্ষে ইন্টার মায়ামির ড্র হওয়া ম্যাচটি তিনি দেখেছেন সাইডলাইনে বসে। এবার ফিরে দলের জয়ে মূল্যবান অবদান রেখেছেন।

২০২৩ সালে লিগ কাপের প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় ইন্টার মায়ামি।

জয় নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভালো একটি দলের সঙ্গে আমরা দারুণ একটি জয় পেলাম। এটি এমনই এক টুর্নামেন্ট যাতে আমরা সব সময় ভালো করে এসেছি।’